পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতমালার নাম হিমালয়।
ভারতকে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা সমৃদ্ধ দেশ বলা হয় কারণ এ দেশে পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। দক্ষিণ ভারতে অজন্তা পর্বতগুহার চিত্রকর্ম, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা অজস্র প্রাচীন মন্দির ও ভাস্কর্য, আগ্রার তাজমহল, দিল্লির কুতুব মিনার, লালকেল্লা প্রভৃতি ভারতের সভ্যতার প্রাচীনতার পরিচয় বহন করে।
জনাব সফিউলের বেড়াতে যাওয়া দেশটি হলো জাপান। জাপানের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলীয়। এখানকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব স্পষ্ট। গ্রীষ্মকালে দেশটির আবহাওয়া আর্দ্র এবং শীতের তীব্রতাও কম।
ঘটনা-১ এর দেশটি হলো জাপান এবং ঘটনা-২ এর দেশটি হলো চীন। জাপান ও চীন উভয়ই পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। জাপানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিল্প। লোহা ও ইস্পাত, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, জাহাজ ও গাড়ি নির্মাণ, বস্ত্র, কলকবজা, ঔষধ, বৈদ্যুতিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন প্রকার ভারী যন্ত্রপাতি উৎপাদনে জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে। দেশটিতে প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, লোহা, ম্যাংগানিজ, পেট্রোলিয়াম, সীসা, সোনা, রূপা প্রভৃতি খনিজ সম্পদও রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের অর্থনীতি প্রধানত শিল্প ও সেবাখাত নির্ভর। কৃষিজাত দ্রব্যের মধ্যে ধানই প্রধান হলেও লৌহ, ইস্পাত, রেশম, সার, যন্ত্রপাতি, সিমেন্ট, কাগজ, চিনি, ঔষধ ও বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী দেশটির প্রধান শিল্প। খনিজসম্পদের দিক থেকেও চীন অত্যন্ত সম্পদশালী, যেমন- পেট্রোলিয়াম, আকরিক লৌহ, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, স্বর্ণ, কয়লা প্রভৃতি। উভয় দেশই শিল্প ও প্রযুক্তিতে উন্নত হলেও জাপানের অর্থনীতি মূলত উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর এবং চীন একটি বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 10: এশিয়ার কয়েকটি দেশ › Topic: এশিয়ার কয়েকটি দেশ পরিচিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.