'জাগো সুন্দর' নাটিকায় কঙ্কণের দলের স্বপ্নে দেখা পরির নাম কল্পনা।
ওংকার ভয় পেলে চোখ বুজে বসে থাকে অথবা প্রাণপণে গান করে কারণ সে ভেড়ার কাছে এই কৌশল শিখেছে। সে দেখেছিল, নেকড়ে বাঘ এলে একপাল ভেড়া গোল হয়ে মাথায় মাথা ঠেকিয়ে চোখ বুজে দাঁড়িয়ে থাকে। যদিও এই কৌশল নেকড়ে বাঘকে তাড়াতে ব্যর্থ হয়, ওংকার মনে করে এটি ভয়ের মোকাবিলায় একটি উপায়।
চাকাম-ফুসফুসের আসল নাম ন্যাড়া। সে অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির। ভয়ের কথা শুনলেই তার ফুসফুস চুপসে গিয়ে বুকে গর্ত হয়ে যায় এবং মুখ শুকিয়ে গিয়ে 'চাকাম চুকুম' শব্দ করতে থাকে। এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে ওংকার তার নাম রাখে চাকাম-ফুসফুস।
বেণু যখন ওংকারের পকেট থেকে মুক্তো-মানিক পাওয়ার কথা বলে, কল্পনা হেসে জানায় যে ওগুলো আসলে মুক্তো-মানিক নয়, বরং ঝিনুক। কল্পনা এর মাধ্যমে এই বার্তা দিতে চায় যে, সত্যিকারের মুক্তো-মানিক তখনই পাওয়া যাবে যখন দাদারা সত্যিকার সাগর জয় করে আসবে এবং মেয়েরা তাদের সাগর অভিযানে সাহায্য করবে। এটি শিশুদের মধ্যে কল্পনা ও বাস্তবতার পার্থক্য বোঝানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সহযোগিতা ও কর্মের মাধ্যমে বড় কিছু অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে।
Class 7 › আনন্দপাঠ › Chapter 9: জাগো সুন্দর › Topic: কঙ্কণ, ওংকার, কামাল ও চাকাম-ফুসফুসের পরিচয়
Aligned to the NCTB national curriculum.