বীজতলার আকার ৩ মিটার x ১ মিটার হলে ভালো হয়।
বীজতলায় চারাকে রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য বীজতলার উপর ছাউনির ব্যবস্থা করতে হবে।
রিনা বেগম তার বীজতলার মাটির সাথে পচা গোবর ও ১০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে দেবেন। অতঃপর সাবধানে বীজ ছিটিয়ে ঝুরা মাটি দিয়ে বীজ তক্তার সাহায্যে উপরিভাগ সমান করে দিতে হবে এবং মাটি চেপে দিতে হবে। এই উপাদানগুলো মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে চারার বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
চারা স্বাস্থ্যবান করার জন্য রিনা বেগমকে বীজতলায় আরও কিছু পরিচর্যা করতে হবে। চারা বড় হতে থাকলে ঝাঁঝরির পানিতে ১০ গ্রাম ইউরিয়া নিয়ে দ্রবণ তৈরি করে বীজতলায় ছিটালে চারা স্বাস্থ্যবান হয়। প্রতিদিন নিয়মিত পানি দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন বীজতলা শুকিয়ে না যায়। মাটি যখন শক্ত হবে তখন নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে যাতে বায়ু চলাচল ভালো হয়। এছাড়াও, বীজতলায় আর্দ্রতা সংরক্ষণের জন্য খড়কুটা বিছিয়ে দিতে হবে। এই পরিচর্যাগুলো চারার সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 2: কৃষি প্রযুক্তি › Topic: বীজ হতে চারা উৎপাদন
Aligned to the NCTB national curriculum.