গৌরীশংকর হলো হিমালয় পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম।
কল্পনাদি কঙ্কণকে অসীমের সীমা খুঁজতে ও অকূলের কূল দেখাতে নিয়ে যাওয়ার আগে তার পৃথিবীর কাজ সেরে নিতে বলে। এর কারণ হলো, কল্পনাশক্তি মানুষকে দিগন্তে নিয়ে গেলেও, বাস্তব পৃথিবীতে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। কল্পনাদি বোঝাতে চায় যে, স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু বাস্তবের প্রতিও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে পৃথিবীকে সুন্দর করতে হবে।
কঙ্কণ 'মাঠের কবি' হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেয় এবং লাঙলের কলম দিয়ে মাটির কাগজ খুঁড়ে সবুজ-কাব্য লিখতে চায়। তার উদ্দেশ্য হলো খামার ভরে ফসল রাখা, গোলায় ধান ভরা এবং ক্ষুধার্ত ভাইদের প্রাণ বাঁচানো। সে এই পুরাতন পৃথিবীকে চিরতাজা রেখে ক্ষুধার মালিক ও মাটির রাজা হতে চায়। তার সবুজ-কাব্য লেখার মাধ্যমে সে কৃষি ও উৎপাদনের গুরুত্ব তুলে ধরে।
কঙ্কণের 'আমি হব দিনের সহচর' এবং 'কর্মই তো আমার প্রাণ' উক্তিগুলোর মাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য কর্মমুখর, উৎপাদনশীল এবং মানবতাবাদী আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়। সে শুধু গান গেয়ে নয়, বরং কৃষকদের লাঙল কাঁধে নিতে উৎসাহিত করে, ফসল ফলিয়ে ক্ষুধার্তদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে পৃথিবীকে সজীব রাখতে চায়। তার আকাঙ্ক্ষা হলো, সে এমন একটি পৃথিবী গড়বে যেখানে কর্মই হবে জীবনের চালিকাশক্তি, যেখানে কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না এবং সবাই মিলেমিশে কাজ করবে।
Class 7 › আনন্দপাঠ › Chapter 9: জাগো সুন্দর › Topic: বেণু চরিত্রের আগমন ও তার পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা
Aligned to the NCTB national curriculum.