aভগবান বুদ্ধের সময়ে শ্রাবস্তী নগরীর জনৈক শ্রেষ্ঠী বুদ্ধ ও ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদান দিচ্ছিলেন। এ সময় কোশলরাজ প্রসেনজিতের অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি শ্রেষ্ঠীকে নেওয়ার জন্য দূত প্রেরণ করলেন। শ্রেষ্ঠী তখন জানান যে তিনি পরম ধন সঞ্চয় করতে ব্যস্ত আছেন। অতঃপর বুদ্ধ পুণ্য সম্পদকে যথার্থ নিধি বা শ্রেষ্ঠ সম্পদ আখ্যায়িত করে নিধিকুণ্ড সূত্র প্রবর্তন করেন।check_circle
bপ্রাচীনকালে মানুষেরা ধন গর্তে পুঁতে রাখত এবং সেই ধন প্রায়শই হারিয়ে যেত। এ সমস্যা সমাধানের জন্য বুদ্ধ এই সূত্র প্রবর্তন করেন।
cশ্রেষ্ঠী তার পার্থিব ধন হারানোর পর বুদ্ধের কাছে এসে পরমার্থ ধন সম্পর্কে জানতে চাইলে বুদ্ধ এই সূত্র দেশনা করেন।
dদেবতারা মানুষের পার্থিব ধন চুরি করে নিয়ে যেত, তাই বুদ্ধ দেবতাদের কাছ থেকে ধন রক্ষার জন্য এই সূত্র প্রদান করেন।
Key Points
পাঠ্যপুস্তকে 'নিধিকুণ্ড সূত্রের উৎপত্তি' অংশে উল্লেখ আছে যে, 'ভগবান বুদ্ধের সময়ে শ্রাবস্তী নগরীতে জনৈক ব্যক্তি বাস করতেন। একদা তিনি শ্রদ্ধাচিত্তে বুদ্ধ ও ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদান দিচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে সারাদিন ব্যস্ত ছিলেন। সে সময় কোশলরাজ প্রসেনজিতের অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি শ্রেষ্ঠীকে নেওয়ার জন্য দূত প্রেরণ করলেন। যখন শ্রেষ্ঠী বুদ্ধ ও ভিক্ষুসংঘের সেবায় নিরত ছিলেন তখন দূত এসে রাজার আদেশ জানালেন। তা শুনে শ্রেষ্ঠী দূতকে বললেন-এখন যাও আমি পরম ধন সঞ্চয় করতে ব্যস্ত আছি। অতঃপর ভগবান বুদ্ধ পিন্ড গ্রহণ সমাপ্ত করে শ্রেষ্ঠীকে ধর্মদেশনা করলেন। তথাগত পুণ্য সম্পদকে যথার্থ নিধি বা শ্রেষ্ঠ সম্পদ আখ্যায়িত করে নিধিকুণ্ড সূত্র প্রবর্তন করেন।'