পানি সেচ পদ্ধতি জমির মাটির প্রকার, ভূমির প্রকৃতি, পানির উৎস, ফসলের ধরন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।
ফোয়ারা সেচ পদ্ধতি শাক-সবজির ক্ষেতে, বীজতলায় কিংবা চারা গাছে ঝাঁঝরি দিয়ে ব্যবহার করা হয়।
জনাব কবিরের জন্য 'প্লাবন সেচ' পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত হবে। কারণ তার জমি সমতল এবং তিনি অল্প সময়ে অধিক জমিতে সেচ দিতে আগ্রহী। প্লাবন সেচ পদ্ধতিতে অল্প সময়ে অধিক জমিতে সেচ দেওয়া যায়, জমির মধ্যে নালার দরকার হয় না এবং শ্রম ও সময় উভয়ই কম লাগে। রোপা ফসল বা শস্য ছিটিয়ে বোনা জমিতে প্লাবন সেচ কার্যকর হয়।
যদি জনাব কবিরের জমি ঢালু হতো, তাহলে প্লাবন সেচ পদ্ধতিতে তিনি পানি ধরে রাখতে সমস্যার সম্মুখীন হতেন এবং পানির অপচয় বেশি হতো। ঢালু জমিতে পানি দ্রুত নিচের দিকে প্রবাহিত হয়ে যেত, ফলে সমস্ত জমিতে সমানভাবে পানি পৌঁছাত না। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে তাকে জমির চারদিকে শক্ত আইল বেঁধে পানি আটকাতে হতো। অথবা, তিনি 'নালা সেচ' বা 'বর্ডার সেচ' পদ্ধতির মতো বিকল্প পদ্ধতিগুলো বিবেচনা করতে পারতেন, যা ঢালু জমিতে পানি নিয়ন্ত্রণ ও অপচয় কমানোর জন্য বেশি কার্যকর।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 2: কৃষি প্রযুক্তি › Topic: সেচ পদ্ধতি
Aligned to the NCTB national curriculum.