পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' থাকে।
গুটি কলম ও চোখ কলম পদ্ধতির মাধ্যমে পেয়ারা বংশবিস্তার করা হয় কারণ এই পদ্ধতিগুলোতে মাতৃগাছের গুণাগুণ বজায় থাকে, ফলন দ্রুত পাওয়া যায় এবং চারা রোগমুক্ত ও সুস্থ হয়।
মিনা বাংলাদেশে চাষোপযোগী পেয়ারার দুটি উন্নত জাতের নাম হলো বারি পেয়ারা-১ এবং কাজী পেয়ারা।
মিনা তার ছাদের পেয়ারা গাছের পরিচর্যার জন্য শুষ্ক মৌসুমে নিয়মিত সেচ দেবে। বর্ষার আগে ও পরে গাছের গোড়ায় সুষম সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন। ফল ভালোভাবে বড় হওয়ার জন্য এবং রোগবালাই থেকে বাঁচাতে কচি পেয়ারা পলিথিন দিয়ে ব্যাগিং (Bagging) করা একটি আধুনিক প্রযুক্তি, যা তাকে প্রয়োগ করতে হবে। যখন ফল পরিপক্ক হবে তখন সংগ্রহ করবে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 5: কৃষিজ উৎপাদন › Topic: পেয়ারা চাষ পদ্ধতি
Aligned to the NCTB national curriculum.