অঙ্গজ চারার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এ থেকে জন্মানো গাছে মাতৃগাছের বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ থাকে।
জোড় কলমের দুটি অংশ হলো রুট স্টক ও সায়ন।
জনাব কামাল তার লেবু ও পেয়ারা গাছের বংশবৃদ্ধির জন্য 'দাবা কলম' পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে মাতৃগাছের মাটির নিকটে অবস্থিত শাখা নিচে নামিয়ে দুই গিঁটের মাঝখানের বাকল কেটে, সবুজ অংশ চেঁছে মাটিতে চাপা দিতে হয়। কিছুদিন পর কাটা অংশ থেকে শিকড় গজায় এবং নতুন চারা হয়। গজানো অংশ কেটে ২-৩ সপ্তাহ পর সাবধানে মাটিসহ উঠিয়ে অন্যত্র রোপণ করতে হয়।
অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি কৃষিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে কারণ এটি চারা গাছ থেকে তাড়াতাড়ি ফল পেতে সাহায্য করে এবং মাতৃগাছের গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ রাখে। বীজের মাধ্যমে উৎপাদিত চারার ক্ষেত্রে মাতৃগাছের সব বৈশিষ্ট্য নাও থাকতে পারে, কিন্তু অঙ্গজ বংশবৃদ্ধিতে এটি নিশ্চিত করা যায়। এছাড়াও, কিছু গাছ বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে না বা করলেও খুব ধীরে, সে ক্ষেত্রে অঙ্গজ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। কর্তন বা ছেদ কলম, দাবা কলম, গুটি কলম, জোড় কলম এবং চোখ কলমের মতো পদ্ধতিগুলো কৃষকদের দ্রুত ও নিশ্চিত ফলন পেতে সহায়তা করে, যা তাদের আর্থিকভাবে লাভবান করছে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 2: কৃষি প্রযুক্তি › Topic: বীজ হতে চারা উৎপাদন
Aligned to the NCTB national curriculum.