যেসব নিচু এলাকা বছরের বেশিরভাগ সময় জলমগ্ন থাকে, তাদের জলাভূমি বলে।
জলাভূমি পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী যেমন- মাছ, সাপ, ব্যাঙ এবং জলচর পাখি দেখা যায়।
সুন্দরবনের মাটি লবণাক্ত ও ভেজা। এর ফলে এই বনের সুন্দরী গাছের মূলগুলো শ্বাসকার্য চালাতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। এজন্য কিছু শাখামূল মাটির উপরে উঠে আসে। এদের শ্বাসমূল বলে। শ্বাসমূলে অনেক ছিদ্র থাকে, যার মাধ্যমে সুন্দরী গাছ বায়ু থেকে শ্বাসকার্য চালানোর জন্য অক্সিজেন শোষণ করতে পারে।
জলাভূমি পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে স্থলজ ও জলজ উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্য দেখা যায় কারণ এই পরিবেশ বছরের বেশিরভাগ সময় জলমগ্ন থাকে এবং বাকি সময় শুষ্ক থাকে। উদ্ভিদের পাতা পাতলা ও প্রশস্ত এবং মূল জলজ উদ্ভিদের চেয়ে শক্তিশালী। জলমগ্ন অবস্থায় শ্বাসকার্য চালানোর জন্য শ্বাসমূল বের হয়। জলাভূমি যখন পানিতে পূর্ণ থাকে তখন সেখানে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর আধিক্য দেখা যায়। পানি কমে গেলে কিছু কিছু প্রাণী অল্প পানিতে বা কাদার মধ্যে লুকিয়ে থেকে আত্মরক্ষা করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের উভয় পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
Class 5 › Primary Science › Chapter 1: জীবের আবাসস্থল › Topic: জীবের অভিযোজন সম্পর্কে আরও কিছু জানি
Aligned to the NCTB national curriculum.