ডিম ফোটানোর জন্য নির্বাচিত ডিমের ওজন ৫০-৬০ গ্রাম হওয়া উচিত।
ক্যান্ডলিং করা হয় আলো দ্বারা ডিমের ভিতরের অংশ পর্যবেক্ষণ করে অনুর্বর ডিম ও মৃত ভ্রুণসহ ডিম পৃথক করার জন্য। এতে সুস্থ ডিম জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
জনাব হাসান প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ডিম ফোটানোর জন্য মুরগির বাসা ঝুড়িতে খড়কুটা দিয়ে তৈরি করবেন। বাসাটি ঘরের নির্জন কোণে রাখতে হবে। বাসাটি ৩৫ সেমি ব্যাস এবং ১০ সেমি গভীর হবে। ডিমে বসানোর পূর্বে মুরগিকে ভালোভাবে খাওয়াতে হবে এবং মুরগির সামনে দানাদার খাবার ও পানি রাখতে হবে।
বাণিজ্যিকভাবে ডিম ফোটানোর জন্য ইনকিউবেটর যন্ত্র প্রাকৃতিক পদ্ধতির চেয়ে বেশি জনপ্রিয় কারণ এর অনেক সুবিধা রয়েছে। ইনকিউবেটরের মাধ্যমে একসাথে অনেক সংখ্যক ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করা যায়, যা বাণিজ্যিক খামারের জন্য অপরিহার্য। এই পদ্ধতিতে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর সময় তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে রোগ নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ বাচ্চা উৎপাদন করা যায়। এছাড়াও, এই পদ্ধতিতে মুরগিগুলো ডিমে তা না দেওয়ার কারণে ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা খামারিদের লাভজনক করে তোলে। ইনকিউবেটরের মতো প্রযুক্তি অর্থের বিনিয়োগের মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন সম্ভব করে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 2: কৃষি প্রযুক্তি › Topic: সেচ পদ্ধতি
Aligned to the NCTB national curriculum.