মাছের ক্ষত রোগ ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের আক্রমণে হয়।
থাই কৈ মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত (৩৫-৪০% আমিষ) বাণিজ্যিক ফিড দৈনিক ২-৩ বার মাছের দেহের ওজনের অনুপাত অনুযায়ী সরবরাহ করা হয়। এটি মাছের সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করে এবং তাদের দ্রুত বৃদ্ধি ও ভালো ফলন পেতে সাহায্য করে।
মন্টু মিয়ার পুকুরে উদ্ভূত সমস্যা হলো ক্ষত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের আক্রমণে মাছের গায়ে লাল ক্ষত বা দাগ হিসেবে দেখা দেয়। এর প্রতিকারের জন্য মাছ আক্রান্ত হলে শতক প্রতি ২০০-২৫০ গ্রাম জিওলাইট বা উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
শীত শুরুর পূর্বেই মন্টু মিয়া রোগ প্রতিরোধের জন্য পুকুরে শতক প্রতি ১ কেজি চুন ও ১ কেজি লবণ দিতে পারতেন। এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ক্ষত রোগের আক্রমণ থেকে মাছকে রক্ষা করতে সাহায্য করতো এবং তার ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। এছাড়াও পুকুর প্রস্তুতের সময় ভালোভাবে শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ ও আগাছা দূর করে, চুন ও সার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি করে পোনা মজুদ করলে রোগের প্রকোপ কম হতো।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 5: কৃষিজ উৎপাদন › Topic: থাই কৈ মাছ চাষ ও রোগ ব্যবস্থাপনা
Aligned to the NCTB national curriculum.