পিপিআর রোগের পূর্ণরূপ হলো Peste des Petits Ruminants।
আক্রান্ত ছাগলকে সুস্থ ছাগলের দল থেকে আলাদা করে শেডে রাখা জরুরি কারণ অনেক রোগ, বিশেষ করে ভাইরাসজনিত রোগ (যেমন পিপিআর), খুব দ্রুত এক ছাগল থেকে অন্য ছাগলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করে এবং সুস্থ ছাগলকে রক্ষা করে।
করিম মিয়ার ছাগলের যদি পিপিআর রোগ হয়, তবে তিনি তীব্র জ্বর, মুখ ও নাক দিয়ে তরল ও পুঁজ মিশ্রিত সর্দি বের হওয়া, মুখে ঘা হওয়া এবং দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা দেখতে পাবেন।
করিম মিয়ার ছাগলের গড়গড়া বা গলাফুলা রোগ, যা একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ এবং এর লক্ষণ হলো গলা ও চোয়ালের নিচ ফুলে যাওয়া ও শ্বাস নেওয়ার সময় গড়গড় শব্দ হওয়া। এই রোগের ব্যবস্থাপনার জন্য তাকে আক্রান্ত ছাগলকে সাথে সাথে সুস্থ ছাগলের দল থেকে আলাদা করে শেডে রাখতে হবে। চিকিৎসার জন্য রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিহিস্টামিন ইনজেকশন দিতে হবে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 5: কৃষিজ উৎপাদন › Topic: থাই কৈ মাছ চাষ ও রোগ ব্যবস্থাপনা
Aligned to the NCTB national curriculum.