লোকটি লোহার কড়াই ভাঙতে পারত বলে বড়াই করত।
লোকটি সবসময় বাঘ বা হাতিকে ভয় না পাওয়ার এবং লোহার কড়াই ভাঙার বড়াই করত, যা শুনে লোকেরা তার ক্ষমতা সম্পর্কে ভীত হয়ে খিল লাগিয়ে ঘরে থাকত।
লোকটি নিজেকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও নির্ভীক প্রমাণ করতে চাইত, এমনকি বাঘ-হাতিকেও ভয় পেত না এবং লোহার কড়াই ভাঙতে পারত বলে বড়াই করত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, একটি ছোট উইপোকা তার নাকের ডগায় ধরলে সে ভয়ে গড়িয়ে বেড়াচ্ছে এবং অসহায়ের মতো চেঁচাচ্ছে। এটি তার বড়াই ও প্রকৃত অবস্থার মধ্যে এক চরম বৈপরীত্য তুলে ধরে, যেখানে সে সামান্য উইপোকাকেও ভয় পায়।
'কেমন বড়াই' ছড়াটির মাধ্যমে লেখক হাবীবুর রহমান সম্ভবত অহংকার ও মিথ্যা বড়াইয়ের অসারতা তুলে ধরতে চেয়েছেন। লোকটি নিজেকে অনেক শক্তিশালী ও নির্ভীক দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত একটি তুচ্ছ উইপোকার কাছে পরাজিত হয়। এর মাধ্যমে লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে, কেবল মুখে বড়াই করা বা অহংকার করা অর্থহীন। প্রকৃত সাহস ও শক্তি ভিতরের বিষয়, যা ছোটোখাটো বিপদে আসল রূপে প্রকাশ পায়। এই ছড়াটি আমাদের শেখায় যে, বড়াই না করে বিনয়ী হওয়া উচিত।
Class 4 › আমার বাংলা বই › Chapter 1: পাঠ ১-৫ › Topic: কেমন বড়াই (ছড়া)
Aligned to the NCTB national curriculum.