সূক্ষ্ম ফুটো দিয়ে কোনো বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি করার পদ্ধতিকে পিন হোল ক্যামেরা বলে।
পিন হোল ক্যামেরায় গঠিত প্রতিবিম্ব বাস্তব হয় কারণ এখানে সত্যিকারের আলোক রশ্মি কেন্দ্রীভূত হয়ে পর্দায় প্রতিবিম্ব তৈরি করে, যা খালি চোখে দেখা যায় এবং প্রয়োজনে পর্দায় ধারণ করা যায়।
পিন হোল ক্যামেরায় গঠিত মোমবাতির শিখার প্রতিবিম্বের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো: (a) এটি বাস্তব প্রতিবিম্ব। (b) এটি উল্টো। (c) এটি সকল দূরত্বে স্পষ্ট এবং যত দূরে তৈরি হয় তত বড়।
যদি পিন হোল ক্যামেরার ফুটোটি বড় করে দেওয়া হয়, তাহলে প্রতিবিম্বের উপর দুটি প্রধান প্রভাব পড়বে: 1. **প্রতিবিম্বের স্পষ্টতা কমে যাবে:** ছোট ফুটো দিয়ে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে আসা আলো প্রবেশ করে একটি স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করে। ফুটো বড় হলে বস্তুর প্রতিটি বিন্দু থেকে আসা আলো একাধিক দিক থেকে প্রবেশ করবে এবং পর্দায় ছড়িয়ে পড়বে, ফলে প্রতিবিম্ব অস্পষ্ট বা ঝাপসা হয়ে যাবে। 2. **প্রতিবিম্ব উজ্জ্বল হবে:** ফুটো বড় হওয়ায় বেশি আলো ক্যামেরার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে, ফলে গঠিত প্রতিবিম্বটি আরও উজ্জ্বল হবে। সুতরাং, ফুটো বড় করলে প্রতিবিম্ব উজ্জ্বল হলেও তার স্পষ্টতা অনেক কমে যাবে।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 8: আলোর প্রতিফলন (Reflection of Light) › Topic: প্রতিবিম্ব
Aligned to the NCTB national curriculum.