Physics · SSC (Class 9-10)
আমরা যে চোখে নানা রং দেখতে পাই, সেগুলো আসলে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো। তরঙ্গদৈর্ঘ্য যখন ছোট হয় সেটা হয় বেগুনি। যখন তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে, তখন সেটা নীল সবুজ হলুদ কমলা লাল হয়ে চোখের কাছে অদৃশ্য হয়ে যায়। মানুষের চোখ 400 nm থেকে 700 nm এর বাইরে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায় না।
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হলো এক ধরনের পর্যাবৃত্ত তরঙ্গ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কয়েক কিলোমিটার থেকে শুরু করে এক মিটারের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগও হতে পারে। আমরা এই বিশাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একটি ক্ষুদ্র অংশ দেখতে পাই, যা 400 nm থেকে 700 nm এর মধ্যে থাকে এবং যাকে আমরা দৃশ্যমান আলো বলি। এই দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে আমরা বিভিন্ন রং হিসেবে দেখি। যেমন, ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়ার সাথে সাথে তা নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। মানুষের চোখ এই ব্যাপ্তির বাইরে দেখতে পায় না, তবে কিছু প্রাণী পারে।
গাড়ির রিয়ার ভিউ মিরর হিসেবে কোন ধরনের আয়না ব্যবহার করা হয়?
একটি অবতল আয়নায় সমান্তরাল আলো ফেলা হলে আলোর রশ্মিগুলো প্রতিফলনের পর এক বিন্দুতে মিলিত হয়। এই বিন্দুটি অবতল আয়নার ফোকাস বিন্দু। ফোকাস বিন্দুতে পৌঁছানোর আগে আলো একত্রিত হতে থাকে (অভিসারী) এবং ফোকাস বিন্দুতে পৌঁছানোর পর আলো ছড়িয়ে যেতে থাকে (অপসারী)।
যদি একটি অবতল আয়নার বক্রতার কেন্দ্রে কোনো বস্তু রাখা হয়, তবে তার প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কী হবে?
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
সমতল আয়নাকে গোলীয় উত্তল আয়না হিসেবে কল্পনা করলে তার ফোকাস দূরত্ব কত হবে?
অমসৃণ পৃষ্ঠে আলো প্রতিফলিত হওয়ার পর আলোক রশ্মিগুলো কেমন হয়?
একটি চামচের ভেতরের অংশ অবতল গোলীয় আয়নার মতো কাজ করে। এর সামনে একটি বস্তুকে বিভিন্ন দূরত্বে রাখলে প্রতিবিম্বের প্রকৃতি, অবস্থান ও আকার ভিন্ন হয়। ফোকাস দূরত্বের ভেতরে রাখলে একরকম এবং ফোকাস দূরত্বের বাইরে রাখলে অন্যরকম প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।
একটি সমতল আয়না থেকে বস্তুর দূরত্ব, প্রতিবিম্বের দূরত্ব এবং ফোকাস দূরত্বের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা যায় 1/u+1/v=1/f সূত্র ব্যবহার করে। এই সূত্রটি উত্তল ও অবতল আয়নার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাস্তব প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায়, কিন্তু অবাস্তব প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায় না।
অবতল আয়নায় প্রতিবিম্বের প্রকৃতি বস্তুর অবস্থানের উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। ফোকাস দূরত্বের কম দূরত্বে রাখলে অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব তৈরি হয়, যা বস্তুর ফোকাসের যত কাছে, প্রতিবিম্ব তত বড় ও দূরে হয়। ফোকাস দূরত্বের বেশি দূরত্বে রাখলে বাস্তব, উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি হয়, যা বস্তুর অবস্থানের উপর নির্ভর করে ছোট, সমান বা বড় হতে পারে। বক্রতার কেন্দ্রে রাখলে সমান আকারের উল্টো বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।
ক্যালাইডাস্কোপে কাচ ঘেঁষে দেখলে প্রতিফলন বেশি হওয়ার কারণ কী?
মানুষের চোখ কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায়?
আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও শোষণ হলো মৌলিক আলোকীয় ঘটনা। যখন আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এই তিনটি ঘটনা একই সাথে ঘটে। প্রতিফলনে আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে, প্রতিসরণে দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং শোষণে দুই মাধ্যমের মধ্যবর্তী তলে আলো শোষিত হয়।
ফ্রেনেলের সূত্র অনুসারে, আপতন কোণ বেশি হলে প্রতিফলনের পরিমাণ কেমন হবে?
দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকে কী বলে?
উত্তল আয়নার ফোকাস বিন্দু কী?
একটি বস্তু কেন লাল দেখায়?
টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল যন্ত্রে 100% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য কী করা হয়?
একটি উত্তল আয়নায় একটি সমান্তরাল আলো ফেলা হলে আলোটি চারদিকে ছড়িয়ে যায়। ছড়িয়ে যাওয়া আলোক রশ্মিগুলো যদি আয়নাটি যে গোলকের অংশ তার ভিতরে দিকে বর্ধিত করি তাহলে মনে হবে সেটা বুঝি একটা বিন্দু থেকে ছড়িয়ে গেছে। ঐ বিন্দুটিকে বলে ফোকাস বিন্দু। উত্তল আয়নার যে পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলন হয় তার কেন্দ্রবিন্দুটিকে বলে মেরু বিন্দু।
অবতল আয়নার সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে টেলিস্কোপে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সূক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। ভালো টেলিস্কোপের দায়িত্ব অনেক কম আলোতেও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা। এছাড়া, অবতল আয়না আলোকের সমান্তরাল বিম বা রশ্মি গুচ্ছ তৈরি করতেও ব্যবহৃত হয়।
আলোক রশ্মির ক্রিয়ারেখা অঙ্কন করে দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ব্যাখ্যা করা যায়। বিশেষ করে গোলীয় আয়নার ক্ষেত্রে, তিনটি বিশেষ আলোক রশ্মির প্রতিফলনের নিয়ম জানলে প্রতিবিম্ব তৈরি করা সহজ হয়।
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের একটি বিশাল পরিসর রয়েছে, যার মধ্যে গামা-রে, এক্স-রে, আলট্রা ভায়োলেট, দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ এবং রেডিও ওয়েভ অন্তর্ভুক্ত। এদের প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য রয়েছে। দৃশ্যমান আলো, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400 nm থেকে 700 nm, আমাদের চোখ দ্বারা সংবেদনশীল।
পিন হোল ক্যামেরায় গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কী?
আয়নার সূত্রটি কী?
গোলীয় উত্তল আয়নায় গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ডাক্তার বা ডেন্টিস্টরা কোনো কিছু বড় করে দেখার জন্য কোন ধরনের আয়না ব্যবহার করেন?
অবতল আয়নার ফোকাস দূরত্বের ভেতরে কোনো বস্তুকে রাখলে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কী হবে?
অবাস্তব প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
আলোর স্পেকট্রাম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বিশাল পরিসরকে বোঝায়, যার মধ্যে গামা-রে, এক্স-রে, আলট্রা ভায়োলেট, দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ, রেডিও ওয়েভ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। দৃশ্যমান আলো এই স্পেকট্রামের একটি ক্ষুদ্র অংশ।
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় কয়টি ভিন্ন ঘটনা ঘটে?
প্রতিবিম্ব বস্তুর সমান দূরত্বে, অবাস্তব, সোজা এবং সমান দৈর্ঘ্যের হতে পারে, যেমন সমতল আয়নার ক্ষেত্রে। আবার, এটি ভিন্ন দূরত্বে, বাস্তব বা অবাস্তব, উল্টো বা সোজা, এবং ছোট বা বড় হতে পারে, যেমন গোলীয় আয়নার ক্ষেত্রে।
পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রতিবিম্ব দেখার জন্য একটি সমতল আয়না কত বড় হতে হয়?
দুটি সমকোণে রাখা আয়নায় বাম হাতের প্রতিবিম্ব কেমন হবে?
গোলীয় আয়না দুই প্রকার: উত্তল ও অবতল। উত্তল আয়নায় সর্বদা অবাস্তব, সোজা ও ছোট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। এর ফোকাস দূরত্ব গোলকের ব্যাসার্ধের অর্ধেক হয় এবং সমান্তরাল আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর ফোকাস বিন্দু থেকে ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। অবতল আয়নার ক্ষেত্রে প্রতিবিম্বের প্রকৃতি বস্তুর অবস্থানের উপর নির্ভরশীল। এটি বাস্তব বা অবাস্তব, উল্টো বা সোজা, এবং ছোট বা বড় হতে পারে। অবতল আয়নায় সমান্তরাল আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর ফোকাস বিন্দুতে মিলিত হয়।
একটি গোলীয় আয়নার ব্যাসার্ধ r হলে, তার ফোকাস দূরত্ব কত হবে?
টেলিস্কোপে কোন ধরনের আয়না ব্যবহার করা হয়?
একটি সবুজ পাতাকে লাল আলোতে দেখলে কেমন দেখাবে?
অবতল আয়নার ফোকাস বিন্দুতে পৌঁছানোর পর আলো কেমন হয়?
একটি অবতল আয়নায় বস্তুকে ফোকাসবিন্দু F এবং মেরুবিন্দু P এর মাঝে রাখলে প্রতিবিম্বের অবস্থান কোথায় হবে?
আমরা আলোর কারণে দেখতে পাই। চারপাশের বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়লে আমরা সেই বস্তু দেখতে পাই। আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও শোষণ এই তিনটি ঘটনা ঘটে। এই অধ্যায়ে আমরা প্রতিফলন নিয়ে আলোচনা করেছি।
আলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করার জন্য নিচের কোনটিকে সঠিক বলা যেতে পারে?
আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে 4% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় পুরো আলোই প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে। টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল যন্ত্রে মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হলে কাচের উপরেই রুপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়।
একটি পিন হোল ক্যামেরার মাধ্যমে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির শিখার প্রতিবিম্ব তৈরি করা হলো। মোমবাতিটিকে বোর্ডের সামনে রেখে বোর্ডের অন্য পাশে সাদা কাগজ রেখে প্রতিবিম্বটি পর্যবেক্ষণ করা হলো। পেছনের সাদা কাগজটি সামনে-পেছনে সরিয়ে প্রতিবিম্বটি ছোট-বড় করা সম্ভব।
অবতল আয়নায় একটি বস্তু ফোকাস দূরত্বের দ্বিগুণ দূরত্বে রাখলে প্রতিবিম্ব কেমন হবে?
বেগুনি ও লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক কী?
গোলীয় আয়না কত প্রকার ও কী কী?
প্রতিফলিত রশ্মি কী?
সবুজ আলোতে লাল ফুলকে কালো দেখায় কেন?
আলোর প্রতিফলনের প্রথম সূত্রটি লেখো।