বাংলাদেশের মোট ঋতু ছয়টি।
শরৎকালে বাংলাদেশের আকাশে সাদা মেঘ তুলোর মতো ভেসে বেড়ায় এবং নদীর তীরে সাদা কাশফুল দেখা যায়।
হেমন্ত ঋতুর দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এ সময়ে ধান পাকে এবং সোনালি ধানে মাঠ ভরে যায়। এই সময়ে কৃষকরা ফসল তোলার প্রস্তুতি নেয়।
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে ঋতু বৈচিত্র্যের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। গ্রীষ্মকালে কৃষকরা ফসল রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করে। বর্ষাকালে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ধানের চারা রোপণের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। হেমন্ত ঋতুতে সোনালি ধান পেকে ওঠে এবং কৃষকরা ফসল ঘরে তোলে, যা তাদের প্রধান জীবিকা। শীতকালে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি ও রবিশস্য উৎপাদন করা হয়। এভাবে ঋতু বৈচিত্র্য বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন, ফসলের ধরন এবং কৃষকদের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। প্রতিটি ঋতুই কৃষকদের জন্য নির্দিষ্ট ফসলের চক্র এবং অর্থনৈতিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত।
Class 4 › আমার বাংলা বই › Chapter 1: পাঠ ১-৫ › Topic: রূপময় বাংলাদেশ: প্রকৃতি, ঋতু, নদ-নদী, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য
Aligned to the NCTB national curriculum.