বাংলাদেশের তিনটি বড় নদী হলো পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা।
বর্ষাকালে বাংলাদেশের প্রকৃতি সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ সময়ে নদীনালা পানিতে ভরে যায় এবং কদম, কেয়া, দোলনচাঁপা ফুল ফোটে।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বন-জঙ্গলের ভূমিকা অপরিসীম। সুন্দরবনের মতো বনভূমি নানা জাতের গাছ, পশু ও পাখিতে সমৃদ্ধ। সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা গাছ যেমন বনের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি বাঘ, হরিণ, কুমির, মাছরাঙা, মৌটুসি, মদনটাক ইত্যাদি প্রাণী ও পাখি বনের জীববৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করে, যা দেশের প্রাকৃতিক আকর্ষণ বৃদ্ধি করে।
বাংলাদেশের প্রকৃতিতে ঋতু বৈচিত্র্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয়টি ঋতু পর্যায়ক্রমে আসার কারণে এ দেশের প্রকৃতি একেক সময়ে একেক রূপে সজ্জিত হয়। গ্রীষ্মে ফলের সমারোহ, বর্ষায় নদীনালায় জলের প্রবাহ ও কদম-কেয়ার সৌন্দর্য, শরতের সাদা মেঘ ও কাশফুল, হেমন্তে সোনালি ধানের মাঠ, শীতের শুষ্কতা ও বসন্তের শিমুল-পলাশের আগমন – এই সবকিছুই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে। এই বৈচিত্র্য কেবল চোখকেই আনন্দ দেয় না, বরং কৃষি, সংস্কৃতি ও জনজীবনের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে।
Class 4 › আমার বাংলা বই › Chapter 1: পাঠ ১-৫ › Topic: রূপময় বাংলাদেশ: প্রকৃতি, ঋতু, নদ-নদী, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য
Aligned to the NCTB national curriculum.