বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের দুটি উদাহরণ হলো এক্স-রে এবং রেডিও ওয়েভ।
আলো বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ কারণ এটি বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের তরঙ্গ তৈরি করে নিজেই চলে যেতে পারে, এর সঞ্চালনের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি পর্যাবৃত্ত তরঙ্গ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকতে পারে।
দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রং হলো বেগুনি (প্রায় 400 nm) এবং সবচেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রং হলো লাল (প্রায় 700 nm)। বেগুনি আলোর ব্যবহার: ডিসপ্লে বা আলোক সজ্জায় ব্যবহৃত হয়। লাল আলোর ব্যবহার: ট্রাফিক সিগন্যালে বা বিপদ সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যদি একটি বস্তু সব রঙের আলো শোষণ করে শুধু নীল আলো প্রতিফলিত করে, তাহলে বস্তুটিকে নীল দেখায়। কারণ, সাদা আলোতে সব রঙের আলো থাকে। যখন এই আলো বস্তুর উপর পড়ে, তখন বস্তুটি নীল আলো ছাড়া অন্য সব রঙের আলো শোষণ করে নেয়। যে নীল আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, সেই নীল আলোই বস্তুর রং হিসেবে প্রতীয়মান হয়। যদি এই নীল বস্তুকে সবুজ আলোতে দেখা হয়, তাহলে বস্তুটিকে কুচকুচে কালো দেখাবে। কারণ, নীল বস্তুটি সবুজ আলো শোষণ করে ফেলবে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করবে না। প্রতিফলিত আলোর অভাবে বস্তুটি কালো দেখাবে।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 8: আলোর প্রতিফলন (Reflection of Light) › Topic: মসৃণ এবং অমসৃণ পৃষ্ঠে প্রতিফলন
Aligned to the NCTB national curriculum.