শাপলা স্বাদু পানির জলজ পরিবেশে বাস করে।
বাজপাখির অভিযোজনগত দুটি বৈশিষ্ট্য হলো তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি এবং ধারালো বড়শির মতো বাঁকানো ঠোঁট ও নখরযুক্ত পা।
ফণীমনসার মতো মরুজ উদ্ভিদের পাতা ও কাণ্ড মোটা, চ্যাপ্টা এবং রসালো হয় যাতে পানি জমা করে রাখতে পারে। আত্মরক্ষার জন্য এদের পাতা কাঁটায় রূপান্তরিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের মরুজ পরিবেশে কম বৃষ্টিপাত ও শুষ্ক আবহাওয়ায় টিকে থাকতে সাহায্য করে।
সুন্দরী গাছ এবং শ্বেত ভল্লুকের অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশের কারণে ভিন্ন। সুন্দরী গাছ লবণাক্ত ও ভেজা জলাভূমি পরিবেশে বাস করে, তাই এর শ্বাসমূল থাকে যা বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এর পাতা পাতলা ও প্রশস্ত এবং মূল জলজ উদ্ভিদের চেয়ে শক্তিশালী। অন্যদিকে, শ্বেত ভল্লুক মেরু অঞ্চলের তীব্র ঠান্ডা পরিবেশে বাস করে। তাদের শরীরের চামড়ার নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে যা তাদের উষ্ণ রাখে। এদের দেহ বরফের মতো সাদা লোমযুক্ত হওয়ায় ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মরক্ষা ও শিকার করতে পারে। এছাড়াও, এদের লম্বা, বাঁকানো এবং শক্তিশালী পা বরফে চলার জন্য অভিযোজিত। এই পার্থক্যগুলো তাদের নিজ নিজ পরিবেশে টিকে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
Class 5 › Primary Science › Chapter 1: জীবের আবাসস্থল › Topic: মরুজ পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী
Aligned to the NCTB national curriculum.