Creative Questionmediumজন্মেছি এই দেশে (কবিতা)

বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকা সমতল হলেও কিছু পাহাড়ি এলাকাও রয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি পাহাড়ি এলাকা হিসেবে পরিচিত। এছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলেও ছোটো-বড়ো পাহাড় আছে। এসব পাহাড়েও নানা জাতের গাছ, পশু, পাখি দেখা যায়।

ক · জ্ঞানবাংলাদেশের তিনটি পাহাড়ি এলাকার নাম লেখো।1

বাংলাদেশের তিনটি পাহাড়ি এলাকার নাম হলো রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।

খ · অনুধাবনময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে কী দেখা যায়?2

ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ছোটো-বড়ো পাহাড় দেখা যায়।

গ · প্রয়োগপাহাড়ি এলাকায় প্রকৃতির কী ধরনের বৈচিত্র্য দেখা যায়? ব্যাখ্যা করো।3

পাহাড়ি এলাকায় প্রকৃতির এক ভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্য দেখা যায়। সমতল ভূমির সবুজ সমারোহের পাশাপাশি এখানে উঁচু-নিচু পাহাড়, গভীর বনভূমি এবং ঝর্ণাধারা থাকে। এসব পাহাড়ে বিভিন্ন ধরনের বিরল গাছপালা, পশু ও পাখি দেখা যায়, যা সমতল ভূমিতে সচরাচর দেখা যায় না। এই পাহাড়ি পরিবেশ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।

ঘ · উচ্চতর দক্ষতাবাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।4

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব পাহাড়ি অঞ্চলে বনজ সম্পদ যেমন কাঠ, বাঁশ, বেত পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, পাহাড়ি এলাকায় চা বাগান ও ফলজ বাগান গড়ে উঠেছে, যা দেশের কৃষিখাতে অবদান রাখে। পর্যটন শিল্পেও পাহাড়ি এলাকার গুরুত্ব অপরিসীম। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ির মতো স্থানগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এই সম্পদগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Source

Class 4 › আমার বাংলা বই › Chapter 1: পাঠ ১-৫ › Topic: জন্মেছি এই দেশে (কবিতা)

Aligned to the NCTB national curriculum.