ধারকত্বের একক হলো ফ্যারাড ()।
একটি ধাতুর আশপাশে অন্য চার্জিত বস্তু আনলে ধাতু বা পরিবাহী বস্তুটিতে আবিষ্ট চার্জ তৈরি হয়। এই আবিষ্ট চার্জের কারণে ধাতুর নিজের চার্জের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়, যা তার বিভবের উপর প্রভাব ফেলে। তাই একটি ধাতুর বিভব শুধুমাত্র তার নিজস্ব চার্জের উপর নয়, বরং তার আশপাশে অবস্থিত অন্য চার্জিত বস্তুর উপরও নির্ভর করে।
সমান্তরাল ধাতব প্লেট ক্যাপাসিটরের একটি প্লেটে ধনাত্মক এবং অন্যটিতে ঋণাত্মক চার্জ রাখা হলে দুটি পাতের মাঝখানে একটি সুষম তড়িৎ ক্ষেত্র তৈরি হয়। এই তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যেই শক্তি সঞ্চিত থাকে। চার্জগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করার প্রবণতা রাখে, কিন্তু প্লেটগুলোর মধ্যে অপরিবাহী মাধ্যম থাকায় চার্জগুলো একত্রিত হতে পারে না। এই আকর্ষণ বলের কারণে সৃষ্ট তড়িৎ ক্ষেত্রে বিভব শক্তিরূপে শক্তি জমা থাকে।
সূত্রটি হলো । এই সূত্র অনুযায়ী, ধারকত্ব () এবং বিভব () একে অপরের ব্যস্তানুপাতিক (চার্জ স্থির থাকলে)। এর মানে হলো, যদি কোনো ধারকের ধারকত্ব বেশি হয়, তাহলে একই পরিমাণ চার্জ দেওয়ার পরেও তার বিভব তুলনামূলকভাবে কম বাড়বে। ধারকত্ব বেশি হওয়ার অর্থ হলো, সেই ব্যবস্থাটি বেশি চার্জ ধারণ করতে পারে তার বিভবকে খুব বেশি বৃদ্ধি না করেই। এটি তাপ ধারণ ক্ষমতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে অনেক তাপ দেওয়া হলেও তাপমাত্রা অল্প বাড়ে।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 10: স্থির বিদ্যুৎ (Static Electricity) › Topic: তড়িৎ ক্ষেত্র (Electric Field)
Aligned to the NCTB national curriculum.