বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা এবং চর এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন।
জলবায়ু জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতায় প্রভাব ফেলে কারণ অনুকূল জলবায়ু অঞ্চলে জনবসতি বেশি হয়, যেখানে প্রতিকূল জলবায়ু অঞ্চলে মানুষ কম বাস করে বা স্থানান্তরিত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায়ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়, যা জনসংখ্যা কাঠামোতে পরিবর্তন ঘটায়।
বাংলাদেশের নদীবিধৌত উর্বর সমতল ভূমিতে কৃষির ফলন বেশি হওয়ার কারণে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। এছাড়া, শিল্প কারখানা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে এমন অঞ্চলেও জনসংখ্যার আধিক্য রয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে কর্মসংস্থান এবং জীবনধারণের সুযোগ বেশি হওয়ায় মানুষ এখানে বসবাস করতে আগ্রহী হয়।
ভৌগোলিক পরিবেশ, জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক সম্পদ একটি দেশের জনসংখ্যার কাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ভৌগোলিক পরিবেশ যেমন পাহাড়, পর্বত বা চর এলাকাগুলোতে জনবসতি কম থাকে, ফলে জনসংখ্যার ঘনত্বও সর্বনিম্ন হয়। অন্যদিকে, নদীবিধৌত উর্বর সমতল ভূমি বা শিল্প কারখানা ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যপূর্ণ অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হয় কারণ সেখানে কৃষির ফলন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি থাকে। জলবায়ুও গুরুত্বপূর্ণ, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় স্থানান্তর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ায় জনসংখ্যা কাঠামোতে পরিবর্তন দেখা দেয়। প্রাকৃতিক সম্পদের সহজলভ্যতা মানুষের বসতি স্থাপনে উৎসাহিত করে, যেখানে সম্পদের অভাব বা প্রতিকূল পরিবেশ মানুষকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হতে বাধ্য করে, যা জনসংখ্যার বন্টন ও ঘনত্বকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 7: বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি › Topic: বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ
Aligned to the NCTB national curriculum.