বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · Class 7

Topics

বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি8বাংলাদেশসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের জনসংখ্যার তুলনা1জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা2বাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল12বাংলাদেশের মা ও শিশুমৃত্যুর পরিস্থিতি2বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ6বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ13

50 Questions

MCQজনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা

জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা বলতে কী বোঝায়?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গ কি.মি.?

CQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

বাংলাদেশের বিভিন্ন বছরে আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: বছর | জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (%) --- | --- ১৯৭৪ | ২.৪৮ ১৯৮১ | ২.৩৫ ১৯৯১ | ২.১৭ ২০০১ | ১.৫৯ ২০১১ | ১.৩৭ ২০২২ | ১.২২

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু প্রায় কত বছর?

CQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

বছর | জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (%) --- | --- ১৯৭৪ | ২.৪৮ ১৯৮১ | ২.৩৫ ১৯৯১ | ২.১৭ ২০০১ | ১.৫৯ ২০১১ | ১.৩৭ ২০২২ | ১.২২

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কোনটি?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত?

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

জনসংখ্যাকে ভারসাম্য পর্যায়ে রাখতে কোন পদক্ষেপটি গ্রহণ করা প্রয়োজন?

CQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

জনসংখ্যা হ্রাসবৃদ্ধির মুখ্য কারণ হচ্ছে জন্ম ও মৃত্যু। বাংলাদেশে স্থুল জন্মহার ও স্থুল মৃত্যুহারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এদেশে স্থুল শিশু মৃত্যুহার উন্নত চিকিৎসা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি প্রভৃতি কারণে হ্রাস পেয়েছে। এক পরিসংখ্যানে জানা যায় যে, এদেশে প্রতিবছর জন্ম নিচ্ছে ২৫ লক্ষ শিশু এবং মৃত্যুবরণ করছে সকল বয়সের প্রায় ৬ লক্ষ লোক।

CQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রতি লক্ষে ৬৫০ জন। ১৯৯০ সালে এ সংখ্যা ৫৭৪ জন, ২০০১ সালে ৩২২ জন এবং ২০১০ সালে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা কমে ১৯৪ জন হয়। বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ১৭৬ জন (প্রতি লক্ষে)। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এটা প্রতি লক্ষে ১৫৬ জন।

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ জীবন্ত জন্মের পর শিশুমৃত্যু ঘটে কত জন?

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লক্ষে কত জন?

CQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির কোনো একক কারণ নেই। অনেক কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। তার মধ্যে কয়েকটি প্রধান কারণ এখানে উল্লেখ করা হলো: উচ্চ জন্মহার ও নিম্ন মৃত্যুহার, বাল্যবিবাহ, বহু বিবাহ, ধর্মীয় কুসংস্কার এবং আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়মিত ব্যবহার না করা প্রভৃতি। এছাড়া, ছেলে বা মেয়ে সন্তানের প্রত্যাশা, দারিদ্র্য, নারীশিক্ষার অভাব, অজ্ঞতা ও কুসংস্কার প্রভৃতি কারণেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

১৯৭৪ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিল?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

কোন দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব বাংলাদেশের চেয়ে বেশি?

CQবাংলাদেশের মা ও শিশুমৃত্যুর পরিস্থিতি

বাংলাদেশে শিশুমৃত্যু হ্রাসে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে। ২০০৮ সালে ইউনিসেফ প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা যায়, ১৯৯০ সালে এদেশে শিশুমৃত্যুর হার ছিল প্রতি হাজারে ১৪৯ জন, ২০০৬ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ জনে। ২০০৮ সালে শিশুমৃত্যুর হার আরো হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৫২ জনে। ২০১৬ সালে শিশুমৃত্যু হার আরো হ্রাস পেয়ে হয় ২৮ জন। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ জীবন্ত জন্মের পর শিশুমৃত্যু ঘটে ২০ জন।

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

মাতৃমৃত্যুর একটি প্রধান কারণ কোনটি?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বনজ সম্পদের উপর চাপ বাড়লে কী ঘটে?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

মাতৃমৃত্যুর কারণে শিশুর উপর কী প্রভাব পড়ে?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ। দেশটি দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯১১ জন এবং প্রতি বর্গ কি. মি. এ বসবাস করে ১১১৯ জন।

CQবাংলাদেশের মা ও শিশুমৃত্যুর পরিস্থিতি

বাংলাদেশে শিশুমৃত্যু হ্রাসে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে। ২০০৮ সালে ইউনিসেফ প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা যায়, ১৯৯০ সালে এদেশে শিশুমৃত্যুর হার ছিল প্রতি হাজারে ১৪৯ জন, ২০০৬ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ জনে। ২০০৮ সালে শিশুমৃত্যুর হার আরো হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৫২ জনে। ২০১৬ সালে শিশুমৃত্যু হার আরো হ্রাস পেয়ে হয় ২৮ জন। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ জীবন্ত জন্মের পর শিশুমৃত্যু ঘটে ২০ জন।

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনটি?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে কোনটি করণীয়?

MCQজনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা

জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা মূলত কোন বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

মানুষের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে স্থানান্তর বলে। স্থানান্তরকে অভিগমনও বলা হয়। এ স্থানান্তর অভ্যন্তরে কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হতে পারে।

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের একটি কারণ কোনটি?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের একটি সুফল কোনটি?

MCQ

সাধারণভাবে মাতৃমৃত্যু বলতে কী বোঝায়?

CQবাংলাদেশসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের জনসংখ্যার তুলনা

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ। দেশটি দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯১১ জন এবং প্রতি বর্গ কি. মি. এ বসবাস করে ১১১৯ জন। ২০১৫-১৬ (সাময়িক) সালে জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৯৯ লক্ষ। বর্তমানে জনসংখ্যার বার্ষিক বৃদ্ধির হার ১.২ শতাংশ যা ২০০১ সালে ছিল ১.৫৯ শতাংশ।

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কি.মি. এ কত জন বসবাস করে?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট একটি কুফল কোনটি?

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

বাংলাদেশে ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের কত ভাগের অধিক ব্যবহৃত হয়?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

ফৌজিয়া একজন সমাজকর্মী। তিনি নয়নপুর গ্রামে দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। সেখানকার মেয়েদেরকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করার সাথে সাথে বিয়ে দেয়া হয়। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা যায় নয়নপুর গ্রামে এক বছরে ৫০ জন শিশু জন্মগ্রহণ করে এবং বিভিন্ন কারণে পাঁচ জন শিশু মৃত্যুবরণ করে।

CQ

সফল ব্যবসায়ী হিসেবে চৌধুরী পরিবার ও হালদার পরিবার সিলেটের কুলাউড়া এলাকার অনেকের কাছেই পরিচিত। অথচ চৌধুরীদের আদিনিবাস কিশোরগঞ্জে এবং হালদার পরিবারের মূলবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। সৈয়দপুর, সোহাগীসহ পাশাপাশি তিন-চারটি গ্রামের অনেক লোক পরিবারসহ প্রায় ১৫ বছর যাবৎ মধ্যপ্রাচ্যে বসবাস করছেন। তাদের ছেলেমেয়েদের অনেকেই এখনও পূর্ব পুরুষদের জন্মস্থান দেখেনি।

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। পৃথিবীর এই ছোটো দেশটিতে জনসংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে। এদেশে ১৯৭৪ সালে জনসংখ্যা ছিল ৭.৬৪ কোটি, ১৯৯১ সালে ছিল ১১.১৫ কোটি, ২০০১ সালে ছিল ১২ কোটি ৯৩ লাখ, ২০০৭ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ কোটি ৬ লাখ এবং ২০১১ সালে এ সংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন। ২০২২ সালে ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯শত ১১ জন। ২০০১ সালে প্রতিবর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ৮৩৪ জন। ২০০৭, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১৭ ও ২০২২ সালে জনসংখ্যা ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৯০৪, ৯৫৩, ৯৯০, ১০১৫, ১১০৩ ও ১১১৯ জনে দাঁড়ায়।

MCQ

শিশুমৃত্যু হার হলো প্রতি বছরে জীবিত জন্মগ্রহণকারী প্রতি হাজারে কত বয়সের মধ্যে শিশুর মৃত্যু সংখ্যা?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলো পাহাড় ও পর্বতে ঘেরা বলে এখানে জনবসতি কম। ফলে এ এলাকার জনসংখ্যার ঘনত্বও সর্বনিম্ন। চর এলাকাও মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন বলে এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব কম। অন্যদিকে নদীবিধৌত উর্বর সমতল ভূমিতে কৃষির ফলন বেশি হওয়ার কারণে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। তাছাড়া শিল্প কারখানা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে এমন অঞ্চলে জনসংখ্যার আধিক্য রয়েছে।

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

মানুষের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে স্থানান্তর বলে। স্থানান্তরকে অভিগমনও বলা হয়। এ স্থানান্তর অভ্যন্তরে কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হতে পারে। অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যেই মূলত অভ্যন্তরীণ স্থানান্তর হয়ে থাকে।

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। পৃথিবীর এই ছোটো দেশটিতে জনসংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে। এদেশে ১৯৭৪ সালে জনসংখ্যা ছিল ৭.৬৪ কোটি, ১৯৯১ সালে ছিল ১১.১৫ কোটি, ২০০১ সালে ছিল ১২ কোটি ৯৩ লাখ, ২০০৭ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ কোটি ৬ লাখ এবং ২০১১ সালে এ সংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন। ২০২২ সালে ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯শত ১১ জন।

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কোন ধরনের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

এক স্বাধীন দেশ থেকে অন্য একটি স্বাধীন দেশে চাকরি, বিয়ে, বসবাস এমনকি নাগরিকতা লাভের জন্য গমন করাকে আন্তর্জাতিক স্থানান্তর বলে। বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশের মানুষ বিদেশে স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। কর্মক্ষেত্রের অভাব, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তীব্র প্রতিযোগিতা, রাজনৈতিক আশ্রয়, জলবায়ুর প্রতিকূল পরিবেশ প্রভৃতি কারণে আমাদের দেশের অনেক মানুষ প্রতিবছর স্থানান্তরিত হয়।

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতা বলতে বোঝায় জনসংখ্যার কাঠামোর পরিবর্তনকে। এই কাঠামো পরিবর্তনের সাথে কতগুলো বিষয় জড়িত। যেমন- ভৌগোলিক পরিবেশ, জলবায়ু, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমিরূপ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রভৃতি। যে দেশের জনসংখ্যা যত বেশি শিক্ষিত সে দেশ তত বেশি উন্নত। জ্ঞানের পরিবর্তনের প্রভাব শিক্ষিত লোকের ধ্যান-ধারণার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। ফলে তারা ছোটো পরিবার গঠন করে।

MCQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণ কোনটি?

MCQ

মানুষের এক স্থান হতে অন্য স্থানে গমনকে কী বলে?

MCQ

১৯৯১ সালের ২৯ শে এপ্রিল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কত মানুষ মারা গিয়েছিল?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদ

প্রাকৃতিক সম্পদ দেশের জন্য মহামূল্যবান। এই সম্পদ একটি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক শক্তির মূল উৎস। যে দেশ যত প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধশালী সে দেশ তত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে বনভূমি, খনিজ কয়লা ও গ্যাস, পাথর, শিলা প্রভৃতি। এই সম্পদের উপর বাংলাদেশের জনসংখ্যার চাপ রয়েছে।

MCQ

কোন শ্রেণির পেশাজীবীদের জন্মহার কম?

CQবাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ও ফলাফল

সাধারণভাবে বলা যায় সন্তান প্রসবের পূর্বে, প্রসবকালীন এবং প্রসব পরবর্তী সময়ে শারীরিক কিংবা অন্যান্য কারণে মায়েরা মৃত্যুবরণ করলে তাকে মাতৃমৃত্যু বলা হয়। অন্যদিকে জন্মের পর এক বছর বয়সের মধ্যে শিশুর মৃত্যু হলে তাকে শিশুমৃত্যু বলা হয়। শিশু মৃত্যুহার হলো প্রতি বছরে জীবিত জন্মগ্রহণকারী প্রতি হাজারে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা।

MCQবাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ

২০২৪ সালে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন দেশে?