বাংলাদেশের কৃষি ঋতু তিনটি।
কৃষির কারণেই মানুষ বেশি বেশি পরিবেশ সচেতন হতে থাকল। ঋতুচক্রের উপর ফসল উৎপাদন যে নির্ভরশীল এটা শিখল। ফলে কোন ঋতুতে কোন ফসল উৎপাদন করা যায় তা বুঝল।
উদ্দীপকের আলোকে পাট দিবা দৈর্ঘ্যের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল। তাই পাট চাষের জন্য চৈত্র মাসের মাঝামাঝি থেকে বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অবশ্যই বীজ বুনতে হয়। এটি পাট উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত সময়।
কৃষিবিজ্ঞানীদের ঋতু নিরপেক্ষ ফসলের জাত উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের কৃষিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যেহেতু বেশিরভাগ মাঠ ও উদ্যান ফসল ঋতু নির্ভর, ঋতু নিরপেক্ষ জাত উদ্ভাবন হলে সারা বছর ধরে ভোক্তার চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, কৃষকদের আয় বাড়বে এবং খাদ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল হবে। বাজারজাতকরণ সহজ হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও, ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করে কৃষিকে আরও টেকসই করতে এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 1: কৃষি এবং আমাদের সংস্কৃতি › Topic: উদ্যান ফসলের বৈচিত্র্য
Aligned to the NCTB national curriculum.