পেঁপে, কাঁচাকলা, বেগুন, লালশাক ইত্যাদি শাকসবজি সারা বছর ধরে চাষ করা হয়।
সরিষা বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য তেল ফসল। এছাড়া সূর্যমুখী, সয়াবিনও তেল ফসল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে সকল ঋতুতে রকমারি সবজি উৎপাদিত হয়। বিশেষ করে শীতকাল বা রবি মৌসুমে সবজির বৈচিত্র্য অনেক বেশি। শীতকালীন সবজির মধ্যে লেটুস, বাটিশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, গোলআলু, ব্রোকলি, লাউ, ওলকপি, মুলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন সবজির মধ্যে চালকুমড়া, পটোল, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, মূখিকচু অন্যতম। শাকের মধ্যে রয়েছে লাল শাক, পুঁইশাক, পালংশাক, পাটশাক, কলমিশাক ইত্যাদি। পেঁপে, কাঁচাকলা, বেগুন, লালশাক ইত্যাদি শাকসবজি সারা বছর ধরে চাষ করা হয়।
বাংলাদেশের উষ্ণ-আর্দ্র অঞ্চলে অবস্থান মসলা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু মসলা জাতীয় উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত অনুকূল। এই অনুকূল পরিবেশের কারণে বাংলাদেশে মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, তেজপাতা, ধনে ইত্যাদি রকমারি মসলা উৎপাদিত হয়। মসলাপ্রিয় জাতি হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এই জলবায়ুগত সুবিধা মসলা চাষকে সহজ ও লাভজনক করে তোলে, যা দেশের কৃষিজ উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনে এবং অর্থনৈতিকভাবেও অবদান রাখে।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 1: কৃষি এবং আমাদের সংস্কৃতি › Topic: উদ্যান ফসলের বৈচিত্র্য
Aligned to the NCTB national curriculum.