শিশু একটি পরিবারে তথা সমাজে যেভাবে সামাজিক হয়ে গড়ে ওঠে তাকে সামাজিকীকরণ বলা হয়।
পরিবারের মধ্যেই শিশু ভাষা ও সংখ্যাশিক্ষার জগতে প্রবেশ করে এবং পিতামাতার মাধ্যমেই তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়। এ কারণে পরিবারকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়।
পূর্বে যৌথ পরিবারগুলোতে সন্তান-সন্ততিরা অল্প বয়স থেকেই পারিবারিক পেশার সাথে যুক্ত হতো এবং পরিবার শিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে কাজ করত। কিন্তু বর্তমানে শিশু শিক্ষার জন্য শিশু সদন, কিন্ডারগার্টেন, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, টেকনিক্যাল বিদ্যালয়সহ বহু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, যার ফলে পরিবারের শিক্ষা বিষয়ক ভূমিকা আগের মতো নেই এবং মূল দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যস্ত হয়েছে।
ধর্মীয় মূল্যবোধ গঠনে পরিবারের ভূমিকা বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে কারণ সময়ের পরিবর্তনে পরিবার ছোটো হয়ে যাওয়ায় পরিবারের ধর্মবিষয়ক ভূমিকা কমে গেছে। আগে মা-বাবা, দাদা-দাদি বা অন্যান্য সদস্যরা শিশুকে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিকতা সম্পর্কে অবহিত করতেন। কিন্তু এখন অনেক সময় ইউটিউব বা ফেসবুকের অসমর্থিত কিছু সূত্র থেকেও শিশুকে ধর্মশিক্ষা দিতে হচ্ছে, যা শিশুর মধ্যে প্রকৃত মানবিক ও নৈতিক গুণ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 3: পরিবারে শিশুর বেড়ে ওঠা › Topic: শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবারের সদস্য ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের ভূমিকা
Aligned to the NCTB national curriculum.