বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ শিশুর ধর্মশিক্ষা বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ।
সময়ের পরিবর্তনে পরিবার ছোটো হয়ে যাওয়ায় এখন পরিবারের ধর্মবিষয়ক ভূমিকা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
শিশুর ধর্মশিক্ষায় মা-বাবা, দাদা-দাদি বা পরিবারের অন্যান্য সদস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তারা বিভিন্নভাবে শিশুকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সম্পর্কে অবহিত করেন এবং ধর্মপ্রাণ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।
ইউটিউব বা ফেসবুকের অসমর্থিত সূত্র থেকে ধর্মশিক্ষা গ্রহণ শিশুর মধ্যে প্রকৃত ধর্মীয় মূল্যবোধ তৈরিতে বাধাগ্রস্ত করতে পারে কারণ এসব উৎসে ভুল তথ্য, একপেশে মতামত বা উগ্রবাদী ধারণা থাকতে পারে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সরাসরি ধর্মশিক্ষা গ্রহণ করলে শিশুরা মানবিক, নৈতিক ও উদারতার গুণাবলি শেখে, যা তাদের জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। কিন্তু অসমর্থিত উৎস থেকে প্রাপ্ত ভুল তথ্য শিশুদের মধ্যে বিভ্রান্তি, অসহিষ্ণুতা বা ভুল মূল্যবোধ তৈরি করতে পারে, যা তাদের সামাজিকীকরণ ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 3: পরিবারে শিশুর বেড়ে ওঠা › Topic: শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবারের সদস্য ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের ভূমিকা
Aligned to the NCTB national curriculum.