শহরের চাকরিজীবী পিতামাতার সন্তানরা গৃহকর্মী বা আত্মীয়স্বজনের উপর নির্ভরশীল হয়।
চাকরিজীবী পিতামাতারা নিজেদের পেশাগত ব্যস্ততার কারণে শিশুদের জন্য খাদ্য, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারেন না।
চাকরিজীবী পিতামাতার সন্তানদের সামাজিকীকরণে বাবা-মার পাশাপাশি অন্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শিশুরা গৃহকর্মী বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখে, যা তাদের আচার-আচরণ ও ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে। পিতামাতার সরাসরি পরিচর্যার অভাবে কিছু ক্ষেত্রে শিশুর সামাজিকীকরণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
চাকরিজীবী পিতামাতার শিশুদের সামাজিকীকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন – ডে-কেয়ার সেন্টার বা বেবি হোমগুলোতে মানসম্মত পরিচর্যা ও শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, পিতামাতার কর্মঘণ্টা কিছুটা নমনীয় করা যাতে তারা শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন, এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের (যেমন দাদা-দাদি) সহযোগিতা নেওয়া। এছাড়া, শিশুদের সাথে গুণগত সময় কাটানো, তাদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা এবং তাদের আগ্রহের প্রতি মনোযোগ দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 3: পরিবারে শিশুর বেড়ে ওঠা › Topic: শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবারের সদস্য ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের ভূমিকা
Aligned to the NCTB national curriculum.