বজ্রপাতের সময় বাতাসের তাপমাত্রা 20 থেকে 30 হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।
আলোর ঝলকানি এবং শব্দ একই সাথে তৈরি হলেও আমরা আলোটিকে প্রথম দেখি কারণ আলোর গতিবেগ শব্দের গতিবেগের চেয়ে অনেক বেশি। আলোর গতিবেগ প্রায় , যা প্রায় সাথে সাথে আমাদের চোখে পৌঁছায়। অন্যদিকে, শব্দের গতিবেগ প্রায় , তাই শব্দ আমাদের কাছে পৌঁছাতে কিছুটা সময় নেয়।
বজ্রপাতের সময় আলোর ঝলকানি দেখার কত সেকেন্ড পর শব্দ শোনা গেছে, তা থেকে বজ্রপাত কত দূরে হয়েছে তা অনুমান করা যায়। আনুমানিকভাবে প্রতি তিন সেকেন্ডের জন্য এক কিলোমিটার দূরত্ব ধরা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আলোর ঝলকানি দেখার ৯ সেকেন্ড পর বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, তাহলে বজ্রপাতটি কিলোমিটার দূরে হয়েছে বলে অনুমান করা যায়।
বজ্রনিরোধক শলাকা উঁচু বিল্ডিংয়ের উপর স্থাপন করা হয় এবং এটি মোটা বিদ্যুৎ সুপরিবাহী তার দিয়ে মাটির গভীরে সংযুক্ত থাকে। এর কার্যপদ্ধতি দুটি উপায়ে কাজ করে: ১. চার্জ নিষ্ক্রিয়করণ: বজ্রপাত হবার উপক্রম হলে বজ্র শলাকাতে ধনাত্মক চার্জ জমা হয় এবং সুচালো শলাকা থাকার কারণে সেখানে তীব্র তড়িৎ ক্ষেত্র তৈরি হয়। এই তড়িৎ ক্ষেত্রের কারণে আশপাশের বাতাস ও জলীয় বাষ্প আয়নিত হয়ে আকাশের দিকে উঠে মেঘের ঋণাত্মক চার্জকে নিষ্ক্রিয় করে বজ্রপাতের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। ২. নিরাপদ নিষ্কাশন: যদি বজ্রপাত সত্যিই ঘটে, তবে আকাশ থেকে নেমে আসা বিশাল পরিমাণ চার্জ এই মোটা তারের মাধ্যমে নিরাপদে মাটির গভীরে চলে যায়। এর ফলে বিল্ডিং বা তার আশপাশের কোনো ক্ষতি হয় না, কারণ বিদ্যুৎ অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে না গিয়ে একটি নির্দিষ্ট পথে মাটিতে চলে যায়।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 10: স্থির বিদ্যুৎ (Static Electricity) › Topic: আধান বা চার্জ (Charge)
Aligned to the NCTB national curriculum.