নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার হলো তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, চলাফেরা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা।
জাতিসংঘ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ আর্থিক অবস্থাভেদে বিশ্বের সব দেশের সব মানুষের এসব অধিকার পাওয়ার অধিকার আছে।
রাশেদা কর্মস্থলে অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সে পুরুষ সহকর্মীদের চেয়ে বেশি সময় কাজ করা সত্ত্বেও কম মজুরি পাচ্ছে, যা সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং বেতন বা মজুরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না করার নীতির পরিপন্থী।
রাশেদার মতো নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনগত ও সামাজিক উভয় পদক্ষেপই অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। আইনগতভাবে, সরকারের উচিত 'সমান কাজ, সমান মজুরি' নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য রোধে বিদ্যমান আইনগুলোকে আরও শক্তিশালী করা। নারী নির্যাতন ও কর্মস্থলে হয়রানি রোধে কঠোর আইন প্রবর্তন এবং এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করাও জরুরি। সামাজিকভাবে, নারী অধিকার সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে, যাতে মালিকপক্ষ বা সমাজ নারী শ্রমিকের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ না করে। বিভিন্ন নারী সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলো রাশেদার মতো কর্মীদের পক্ষে আইনি সহায়তা ও সমর্থন দিতে পারে, যা তাদের অধিকার আদায়ে সাহস যোগাবে এবং সমাজে নারীর অবস্থান উন্নত করবে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার
Aligned to the NCTB national curriculum.