শিল্পী অ্যাক্রেলিক রং ব্যবহার করছেন।
অ্যাক্রেলিক রং টিউব আকারে ছাড়াও কাচের এবং প্লাস্টিকের কৌটায় ছোটো-বড়ো বিভিন্ন আকৃতিতে ঘন পেস্টের আকারে সংরক্ষিত থাকে। এই রং পানি দিয়ে তরল করে ছবি আঁকা যায়।
শিল্পী যদি একটি দ্রুত আঁকা প্রতিকৃতি তৈরি করতে চান, তাহলে অ্যাক্রেলিক রঙের 'খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়' বৈশিষ্ট্যটি তাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে। দ্রুত শুকিয়ে যাওয়ার কারণে শিল্পী দ্রুত এক রঙের উপর অন্য রং প্রয়োগ করতে পারবেন এবং বিভিন্ন স্তর তৈরি করতে পারবেন, যা প্রতিকৃতির বিভিন্ন শেড ও ডিটেইলস ফুটিয়ে তুলতে সহায়ক। এটি তাকে দ্রুততার সাথে কাজ শেষ করতে এবং সময়ের অপচয় রোধ করতে সাহায্য করবে, যা দ্রুত প্রতিকৃতির জন্য অপরিহার্য।
অ্যাক্রেলিক রংকে 'অস্বচ্ছ রং' বলা হলেও এটি বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করে এর দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের কারণে। প্রথমত, এটি ঘন পেস্টের আকারে ব্যবহার করলে অস্বচ্ছতা বজায় রাখে, যা পোস্টার রঙের মতো গাঢ় প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম। দ্বিতীয়ত, এটি পাতলা করে গুলিয়ে জল রঙের মতো ব্যবহার করা যায়, যার ফলে স্বচ্ছতা এবং স্তরবিন্যাস তৈরি করা সম্ভব হয়। এই দ্বৈত ব্যবহারের ক্ষমতা শিল্পীকে একই রং ব্যবহার করে বিভিন্ন টেক্সচার, শেড এবং আলোর প্রভাব তৈরি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটি কাগজ, বোর্ড বা ক্যানভাস—যে কোনোটিতেই ব্যবহার করা সম্ভব, যা এর বহুমুখিতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
Class 7 › চারু ও কারুকলা › Chapter 4: ছবি আঁকার বিভিন্ন মাধ্যম › Topic: ছবি আঁকার বিভিন্ন মাধ্যম পরিচিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.