প্লাবন সেচ পদ্ধতিতে সমতল জমিতে খাল, বিল বা পুকুর হতে আসা পানি দিয়ে প্রধান নালার সাহায্যে সেচ দেওয়া হয়।
নালা সেচ পদ্ধতিতে জলাবদ্ধতার ভয় থাকে না কারণ এই পদ্ধতিতে সেচের পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় এবং সমস্ত জমি সমানভাবে ভিজানো যায়, ফলে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার সুযোগ থাকে না।
জনাব ফাহিমের ঢালু জমিতে পানি নিয়ন্ত্রণ ও অপচয় কমানোর জন্য 'বর্ডার সেচ' পদ্ধতিটি বেশি কার্যকর হবে। এই পদ্ধতিতে জমির ঢাল ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসলের জমিকে কতগুলো খণ্ডে বিভক্ত করা হয় এবং প্রধান নালা থেকে প্রতিটি খণ্ডে পানি সরবরাহ করা হয়। একটি খণ্ডে সেচ দেওয়া হলে এর প্রবেশপথ বন্ধ করে পরবর্তী খণ্ডে পানি সরবরাহ করা হয়। এই পদ্ধতিতে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনেরও ব্যবস্থা থাকে, যা ঢালু জমিতে পানি ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে এবং পানির অপচয় কমায়।
যদি জনাব ফাহিম তার বাগানে বহুবর্ষজীবী ফল গাছ চাষ করতেন, তাহলে 'বৃত্তাকার সেচ' পদ্ধতিটি তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হতো। এই পদ্ধতিতে সমস্ত জমিতে সেচ না দিয়ে শুধু যে স্থানে গাছ রয়েছে সেখানেই পানি সরবরাহ করা হয়। ফল বাগানের মাঝ বরাবর একটি প্রধান নালা কাটা হয় এবং প্রতি গাছের গোড়ায় বৃত্তাকার নালা কেটে প্রধান নালার সাথে সংযোগ দেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে পানির অপচয় হয় না এবং পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়, যা বহুবর্ষজীবী ফল গাছের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
Class 7 › কৃষিশিক্ষা › Chapter 2: কৃষি প্রযুক্তি › Topic: পানি সেচের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি
Aligned to the NCTB national curriculum.