অধিকার বলতে প্রথমত মানবাধিকারকেই বোঝানো হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের সংবিধানেও নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও নাগরিক হিসেবে নারীকে পুরুষের পাশাপাশি সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে।
ফারজানা বেগম বাংলাদেশে নারী অধিকারের 'সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের অধিকার সমান এবং এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না' এবং 'নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার' ভোগ করছেন। তিনি সরকারি দপ্তরে কাজ করছেন এবং তার মতামত প্রকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীন, যা তার এসব অধিকারের প্রতিফলন।
ফারজানা বেগমের মতো নারীদের কর্মস্থলে সমান অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই নারী-পুরুষের সমান কাজের জন্য সমান মজুরি নিশ্চিত করতে হবে এবং কর্মস্থলে নারীর প্রতি কোনো বৈষম্য করা যাবে না। কর্মস্থলে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে, যা নারীদের কর্মজীবনে আরও সহায়তা করবে। নারীর প্রতি নির্যাতন ও হয়রানি রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং কর্মস্থলে একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও, নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে উৎসাহিত করতে হবে এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.