নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · Class 7 · Chapter 9

Other topics in this chapter

60 Questions

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব আলমের বয়স ৮০ বছর। তিনি একজন দরিদ্র কৃষক। তার কোনো সঞ্চয় নেই এবং তিনি তার সন্তানদের উপর নির্ভরশীল। তার সন্তানরাও দরিদ্র হওয়ায় তার ভরণ-পোষণ করতে প্রায়শই হিমশিম খায়। জনাব আলম প্রায়শই অসুস্থ থাকেন কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস শাহানা তার স্বামীর মৃত্যুর পর একাকী জীবনযাপন করছেন। তার কোনো সন্তান নেই এবং তিনি তার গ্রামের বাড়িতে থাকেন। তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল এবং প্রায়ই অসুস্থ থাকেন। ঔষধপত্র কেনার মতো পর্যাপ্ত অর্থ তার নেই। গ্রামের কিছু যুবক তাকে বাংলাদেশ মহিলা স্বাস্থ্য সংঘের কথা জানায় এবং সেখানে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রিনা বেগম (৭২) একজন বৃদ্ধা মহিলা। তার ছেলেমেয়েরা তাকে মাঝে মাঝে খাবার ও কাপড় দেয়, কিন্তু তার সাথে গল্পগুজব করার বা তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো সময় তাদের নেই। রিনা বেগম প্রায়ই একাকীত্বে ভোগেন এবং মনে করেন তিনি পরিবারের বোঝা।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

ফারজানা বেগম (৭০) একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তিনি তার অবসরকালীন জীবন পাঠাগারে বই পড়ে এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে কাটাতে চান। কিন্তু তার শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি একা একা বাইরে যেতে পারেন না এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে সময় দিতে পারে না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রুমা একজন গ্রামের মেয়ে। তার বাবা-মা তাকে প্রাথমিক স্তরের বেশি পড়ালেখার সুযোগ দেননি এবং অল্প বয়সেই তার বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। রুমা মনে করেন, ছেলে-সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যাপারে পরিবার যতটা আগ্রহ দেখায়, মেয়েদের বেলায় তা দেখায় না, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

আশি বছর বয়সী মমতাজ বেগম তার গ্রামের বাড়িতে একা থাকেন। তার ছেলেমেয়েরা শহরে থাকে এবং কর্মব্যস্ততার কারণে খুব কমই তার খোঁজখবর নিতে পারে। মমতাজ বেগম প্রায়ই অসুস্থ থাকেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বা তার ঔষধ কেনার মতো কেউ নেই। তিনি নিঃসঙ্গ বোধ করেন এবং তার মনে হয় তিনি সমাজের বোঝা হয়ে গেছেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

আকলিমা বেগম (৭২) একজন গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী মারা গেছেন এবং তার কোনো সন্তান নেই। তার সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বিরোধ চলছে। তিনি মনে করেন তার সম্পত্তি ভোগের অধিকার নিশ্চিত হওয়া উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

করিম সাহেব তার ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই স্কুলে পাঠান। তিনি মনে করেন তার ছেলে বড় হয়ে সংসারের হাল ধরবে এবং মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি চলে যাবে। তাই তিনি ছেলের পড়ালেখার পেছনে বেশি খরচ করেন এবং মেয়েকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে রাজি নন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

ফারজানা বেগম একজন উচ্চশিক্ষিত নারী। তিনি একটি সরকারি দপ্তরে কাজ করেন। তার কর্মস্থলে নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তিনি তার মতামত প্রকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের সকল নারীরই সরকারি চাকরি লাভের এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার থাকা উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রাজু তার বাবা-মার ভরণ-পোষণ করেন না। তার বাবা (৭৫) এবং মা (৭২) দুজনেই অসুস্থ এবং অন্যের উপর নির্ভরশীল। রাজু মনে করে, বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মাকে দেখাশোনা করা তার দায়িত্ব নয়।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

নাসিমা বেগম একজন সচেতন নারী। তিনি বিশ্বাস করেন যে, নারী-পুরুষের সমান অধিকার ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি দেখেন যে তার ছোট বোন ভালো ছাত্রী হওয়া সত্ত্বেও তার বাবা-মা তাকে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ দেননি, বরং তার ভাইকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। নাসিমা বেগম এই বৈষম্য দূর করতে কাজ করতে চান।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রফিক সাহেব একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। তিনি তার অবসরের পর বাকি জীবন গ্রামের মানুষের শিক্ষার প্রসারে কাজ করতে চান। কিন্তু তার ছেলেমেয়েরা মনে করে তার বিশ্রাম নেওয়া উচিত এবং গ্রামের মানুষের এসব কাজে অংশগ্রহণ করার মতো বয়স তার নেই। রফিক সাহেব এতে মানসিকভাবে খুব কষ্ট পান।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সালমা (২৫) একজন শিক্ষিত নারী। সে তার এলাকায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়, কিন্তু তার এলাকার পুরুষ সদস্যরা মনে করে, 'নারীর জন্য ঘরের কাজই যথেষ্ট, বাইরে কাজ করার দরকার নেই।' তারা তাকে বিভিন্নভাবে নিরুৎসাহিত করে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

গ্রামের দরিদ্র কৃষক রফিক মিয়া (৬৫) তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন। তিনি বয়সের কারণে আর মাঠে কাজ করতে পারেন না। তার কোনো সঞ্চিত অর্থ নেই এবং ছেলেমেয়েরা তার ভরণ-পোষণ করতে পারছে না। ফলে তাদের পরিবারে প্রায়ই খাদ্যের অভাব দেখা দেয় এবং রফিক মিয়া অসুস্থ হলে ঔষধ কেনার সামর্থ্য তাদের থাকে না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সুলতানা বেগম একজন স্কুল শিক্ষিকা। তিনি মনে করেন, দেশের উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি তার ছাত্রীদের সব সময় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করেন এবং তাদের বোঝান যে, শুধু লেখাপড়াই নয়, খেলাধুলা ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নারীদের এগিয়ে আসা উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব আখতার একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি ৬৫ বছর বয়সেও বেশ কর্মঠ এবং সমাজে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিতে আগ্রহী। কিন্তু তার পরিবার মনে করে, এই বয়সে তার বিশ্রাম নেওয়া উচিত এবং তাকে কোনো কাজে অংশ নিতে নিরুৎসাহিত করে। জনাব আখতার মনে করেন, প্রবীণদের সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের অধিকার থাকা উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

গ্রামের দরিদ্র কৃষক রফিকের দুই সন্তান, একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। রফিক মনে করেন, ছেলে বড় হয়ে তাকে উপার্জন করে খাওয়াবে এবং সংসারের হাল ধরবে। অন্যদিকে, মেয়েকে বিয়ে দিতে গিয়ে তাকে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। এই মনোভাবের কারণে তিনি ছেলের লেখাপড়ার ব্যাপারে যতটা আগ্রহ দেখান, মেয়ের বেলায় তা দেখান না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিমা বেগম একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তিনি তার পুরুষ সহকর্মীদের সমান কাজ করলেও মজুরি পান কম। তিনি যখন এই বৈষম্যের প্রতিবাদ করেন, তখন তাকে বলা হয় যে তার কাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত কারণ একজন নারীর এত কথা বলা উচিত নয়।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিজান সাহেব (৬৭) একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। তিনি নিয়মিত অবসর ভাতা পান। তার ছোট ভাই (৭৫) একজন কৃষক ছিলেন, তার কোনো সঞ্চয় নেই। তিনি বয়সের কারণে কাজ করতে পারেন না এবং অর্থনৈতিকভাবে খুবই অসহায়। মিজান সাহেব মনে করেন তার ভাইয়েরও সরকারি সহায়তা পাওয়া উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সাবিনা বেগম একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি তার কর্মস্থলে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের অধিকার সমান—এই নীতিতে বিশ্বাসী। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা অবস্থায় তার এক সহকর্মী তাকে জানালেন যে, তার ছুটির সময় ৬ মাস করা হয়েছে। সাবিনা বেগম এতে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিমা বেগম (৬২) একজন বিধবা। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি একা বসবাস করেন। তার কোনো আয়-রোজগারের সুযোগ নেই এবং তিনি খুবই দরিদ্র। তিনি সরকারি কোনো ভাতা পান না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব কামাল সাহেব একজন প্রবীণ ব্যক্তি। তিনি মনে করেন প্রবীণদের নিজেদের পছন্দ ও খাপ খাইয়ে চলার ক্ষমতা অনুসারে নিরাপদ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবেশে বাস করার অধিকার আছে। তিনি চান তার পরিবার এবং সমাজের সেবাযত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পেতে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

শামিমা বেগম একজন গৃহিণী। তার স্বামী একজন কৃষক। তাদের দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে আছে। শামিমা বেগম তার ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনো বৈষম্য করেন না। তিনি চান তার সব সন্তানই শিক্ষিত হোক এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

বৃদ্ধা রহিমা বেগম তার একমাত্র ছেলের সাথে থাকেন। তার ছেলে ও ছেলের বউ উভয়েই কর্মজীবী। রহিমা বেগমকে তাদের ছোট শিশুকে দেখাশোনা করতে হয়, বাজারঘাট করা ও গৃহস্থালি কাজের দায়িত্বও তার উপর পড়ে। বৃদ্ধ বয়সে এই সব কাজ করা তার পক্ষে কঠিন হয় এবং তিনি নিজেকে পরিবারের বোঝা মনে করেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সেলিনা বেগম (৬৫) একজন গৃহিণী। তার স্বামী মারা গেছেন এবং তার এক ছেলে বিদেশে থাকে। তার মেয়ে বিবাহিত এবং শ্বশুরবাড়িতে থাকে। সেলিনা বেগম প্রায়ই অসুস্থ থাকেন এবং তার দেখাশোনা করার কেউ নেই। তিনি নিঃসঙ্গ বোধ করেন এবং প্রায়ই বিষণ্ণ থাকেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব আসিফ তার বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে একটি ছোট পরিবারে বাস করেন। তার বাবা-মা উভয়েই কর্মজীবনের শেষে কোনো সঞ্চয় করতে পারেননি। এখন তারা তাদের সন্তানদের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল। আসিফ এবং তার স্ত্রী দুজনেই কর্মজীবী এবং তাদের পক্ষে বাবা-মায়ের সব চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

নাসরিন একজন উচ্চশিক্ষিতা নারী। সে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে উচ্চ পদে চাকরি করে। তার সহকর্মীরা তাকে সম্মান করে এবং তার মতামতকে গুরুত্ব দেয়। নাসরিন মনে করে, সমাজে নারীর এই অবস্থান তৈরি হয়েছে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার মতো ব্যক্তিত্বদের অবদানের কারণে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রেজাউল সাহেব (৬২) একজন কৃষক। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে তার সব সম্পত্তি হারিয়েছেন। এখন তিনি অসুস্থ এবং কাজ করতে পারেন না। তার ছেলেমেয়েরা তাকে দেখাশোনা করতে রাজি নয়।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিমা বেগম (৬৫) তার গ্রামের বাড়িতে একা থাকেন। তার স্বামী অনেক বছর আগে মারা গেছেন। তার কোনো সন্তান নেই। তিনি বয়সের কারণে কোনো কাজ করতে পারেন না এবং তার কোনো সঞ্চয়ও নেই। ফলে তিনি চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছেন। গ্রামের একজন সমাজকর্মী তাকে সরকারি একটি কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিমা বেগম (৬৭) তার স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন। তার ছেলেমেয়েরা নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাকে দেখাশোনা করার সময় পায় না। তিনি শারীরিক দুর্বলতা এবং নানা ধরনের রোগব্যাধিতে ভুগছেন, কিন্তু ঔষধ কেনার সামর্থ্য তার নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিমা খাতুন একজন বিধবা মহিলা। তার বয়স ৬৫ বছর। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি অর্থনৈতিকভাবে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। তার কোনো সন্তান নেই যে তাকে দেখাশোনা করবে। তিনি একসময় খুব সক্রিয় ছিলেন, কিন্তু এখন বার্ধক্যের কারণে শারীরিক শক্তি কমে যাওয়ায় কোনো কাজ করতে পারেন না। তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকেন এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ কেনার সামর্থ্যও তার নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রহিম সাহেব (৬৫) একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি এখন বাড়িতে থাকেন। তার স্ত্রী ও সন্তানরা তাকে যথেষ্ট সম্মান করে এবং তার মতামতকে গুরুত্ব দেয়। তিনি মাঝে মাঝে স্থানীয় সামাজিক কাজে অংশ নেন এবং বিভিন্ন নীতি নির্ধারণে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

শিপ্রা বেগম একজন সরকারি কর্মকর্তা। তার স্বামীও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাদের একটি কন্যা সন্তান আছে। শিপ্রা বেগম মাতৃত্বকালীন ছুটি হিসেবে ছয় মাস ছুটি ভোগ করেন। তার কর্মস্থলে পুরুষ সহকর্মীরা তার এই ছুটি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে। শিপ্রা বেগম মনে করেন এই ছুটি তার অধিকার।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব আহমেদ (৭০) একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। তিনি তার অবসর ভাতা পেয়ে থাকেন। তার এক ছেলে দেশের বাইরে থাকে, আরেক ছেলে শহরে থাকে। তার স্ত্রী মারা গেছেন। ফলে তিনি একাকীত্বে ভোগেন এবং তার দেখাশোনা করার কেউ নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

ফারজানা (৩৫) একজন শিক্ষিত গৃহিণী। তিনি তার সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে বাবার নামের পাশাপাশি নিজের নামও যুক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, এই ধরনের পদক্ষেপ নারীর সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং লিঙ্গ বৈষম্য কমাতে সাহায্য করে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস রিনা একজন সফল প্রকৌশলী। তিনি তার কাজের ক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মীদের মতোই দক্ষতা দেখাচ্ছেন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় তাকে পুরুষ সহকর্মীদের কাছ থেকে অবজ্ঞা ও কটাক্ষের শিকার হতে হয়। রিনা মনে করেন, সমাজে এখনও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়নি।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রেহানা বেগম একজন গৃহিণী। তার স্বামী তাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। তিনি তার স্বামীর এই আচরণের প্রতিবাদ করতে পারেন না, কারণ তিনি মনে করেন তার কোনো অধিকার নেই এবং তিনি স্বামীর উপর নির্ভরশীল। তার ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করার সুযোগ পেলেও রেহানা বেগম নিজে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রিমা একজন কর্মজীবী নারী। তার স্বামীও কর্মজীবী। তাদের একটি ছোট সন্তান আছে। রিমার শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রামে থাকেন। তারা চান রিমা যেন চাকরি ছেড়ে দিয়ে সন্তানের দেখাশোনা করে। কিন্তু রিমা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং কর্মজীবনের অধিকারকে গুরুত্ব দেয়।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সত্তর বছর বয়সী মিসেস রোকসানা তার স্বামীর মৃত্যুর পর অর্থনৈতিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েছেন। তার সঞ্চিত অর্থ নেই এবং সন্তানরাও তাকে ভরণ-পোষণ দিতে ইচ্ছুক নয়। তিনি মনে করেন তার জীবন এখন কেবল অন্যের উপর নির্ভরশীল।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

শিক্ষিকা ফরিদা বেগম ৬৫ বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি তার দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে যুক্ত হতে চাইলেন, যা সমাজের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে। কিন্তু তার ছেলেমেয়েরা তাকে নিষেধ করে এবং মনে করে তার এখন শুধু বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস রোকসানা একজন গৃহিণী। তিনি পরিবারে তার মতামত প্রকাশের সুযোগ পান না এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার কোনো ভূমিকা থাকে না। তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা মনে করেন, নারীদের কাজ শুধু গৃহস্থালি সামলানো। রোকসানা মনে করেন, সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

৭৫ বছর বয়সী জনাব হাসান একজন দরিদ্র কৃষক। তার জমি নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে এবং তার ছেলেমেয়েরা তাকে ভরণ-পোষণ দিতে পারছে না। তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন কিন্তু ঔষধ কেনার সামর্থ্য নেই। তিনি মনে করেন তিনি সমাজের বোঝা হয়ে গেছেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রেবেকা বেগম (৬৫) একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তিনি তার অবসরকালীন সময়ে বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে চান এবং একটি সংগঠন গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষণ করেন। তিনি মনে করেন তার অভিজ্ঞতা সমাজের জন্য উপকারী হতে পারে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

ফারুক সাহেব সম্প্রতি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষিত এবং তারা নিজেদের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। ফারুক সাহেব এখন বেশিরভাগ সময় একা থাকেন এবং নিজের পছন্দের কাজগুলো করার সুযোগ পান না। তার স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় তিনি নিজেও শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস রিনা একজন পোশাক কারখানার কর্মী। তিনি তার কাজের জন্য পুরুষ সহকর্মীদের চেয়ে কম মজুরি পান। যখন তিনি এর প্রতিবাদ করেন, তখন তাকে বলা হয় যে নারীরা পুরুষের সমান কাজ করতে পারে না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সত্তরোর্ধ্ব মজিদ সাহেব তার ছোট ছেলের সাথে বসবাস করেন। তার ছেলে ও পুত্রবধূ প্রায়ই তাকে সংসারের বোঝা মনে করে এবং তার মতামতকে গুরুত্ব দেয় না। মজিদ সাহেব প্রায়ই নিঃসঙ্গ ও বিমর্ষ বোধ করেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস রত্না (৫৮) একজন সরকারি চাকরিজীবী। তিনি দ্রুতই অবসর গ্রহণ করবেন। তার স্বামী মারা গেছেন এবং তার কোনো সন্তান নেই। তার হাতে তেমন সঞ্চয়ও নেই। তিনি চিন্তিত যে অবসরের পর তার জীবনযাপন কীভাবে চলবে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিঃ আলম (৮০) একজন কৃষক। তিনি সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করে তার পরিবারকে ভরণ-পোষণ করেছেন। এখন তিনি বার্ধক্যের কারণে কাজ করতে পারেন না এবং তার কোনো সঞ্চয়ও নেই। তার ছেলেরা তাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত নয় এবং তিনি প্রায়শই অনাহারে থাকেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

৬০ বছর বয়সী মিসেস ফাহিমা অবসর গ্রহণের পর তার সন্তানদের সাথে থাকেন। তার ছেলে ও ছেলের বউ উভয়ই কর্মজীবী। ফলে ফাহিমাকে তাদের শিশুদের দেখাশোনা, স্কুলে পৌঁছানো এবং বাজারঘাটের দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই বয়সে এসব কাজ করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে এবং তিনি প্রায়শই অসুস্থ থাকেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পান না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

শহরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মিজ সায়মা। তিনি সম্প্রতি মা হয়েছেন এবং তার কর্মস্থল থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি পেয়েছেন। তার পুরুষ সহকর্মীরা তার ছুটির সময়কাল নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে এবং তার কাজে ফিরে আসা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

একটি গ্রামে বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ফাতেমার বিয়ে ঠিক হয়েছে। ফাতেমা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ডাক্তার হতে চায়, কিন্তু তার বাবা-মা মনে করেন মেয়েদের বেশি লেখাপড়ার দরকার নেই এবং কম বয়সে বিয়ে দিলে তাদের দুশ্চিন্তা কমে যাবে।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিজ ফাহমিদা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি সম্প্রতি কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে। তার সহকর্মীরা তাকে দেখে হাসাহাসি করে এবং মন্তব্য করে যে, 'নারীরা মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে কেবল বিশ্রাম করে, কাজ করতে পারে না।'

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

রিনা বেগম (৫০) একজন গৃহিণী। তিনি তার সন্তানদের লেখাপড়া ও পরিবারের সব কাজ করেন। তার স্বামী প্রায়শই তাকে ঘরের কাজের জন্য ছোটখাটো বিষয়ে গালমন্দ করেন। তিনি মনে করেন, একজন নারী হিসেবে তার অধিকারগুলো নিশ্চিত হচ্ছে না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

আয়েশা বেগম (৭৫) একজন বিধবা মহিলা। তার স্বামী নিগৃহীতা হওয়ার কারণে তিনি অর্থনৈতিকভাবে খুবই অসহায়। তার কোনো সন্তান নেই এবং তার দেখাশোনা করার মতোও কেউ নেই। তিনি এখন রাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছুটা সহায়তা আশা করেন।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

ফারজানা একজন গৃহিণী। সে তার পরিবারের সব কাজ একা করে। তার স্বামী একজন কর্মজীবী। ফারজানা মনে করে, তার কাজকে সমাজের মানুষ গুরুত্ব দেয় না এবং তাকে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, দেশের উন্নয়নে তার কোনো ভূমিকা নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিসেস ফাতেমা একজন গৃহিণী। তার স্বামী তাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। তিনি তার আত্মীয়-স্বজনকে এ বিষয়ে জানালেও কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে না। তিনি মনে করেন, তিনি একজন নারী হওয়ায় এই ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং তার কোনো অধিকার নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

মিস্টার কামাল একজন সরকারি চাকরিজীবী। তিনি অবসর গ্রহণের পর তার সঞ্চিত অর্থ ও পেনশন দিয়ে একটি ছোট ব্যবসা শুরু করেন। তিনি মনে করেন, অবসর গ্রহণের পরেও মানুষের কাজ করার অথবা অন্য কোনোভাবে আয়-উপার্জন করার অধিকার থাকা উচিত।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

সত্তর বছর বয়সী রফিক সাহেব তার গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারে বসবাস করতেন। কিন্তু তার ছেলেমেয়েরা জীবিকার তাগিদে শহরে চলে যাওয়ায় পরিবারটি ভেঙে ছোট ছোট পরিবারে পরিণত হয়েছে। রফিক সাহেব এখন তার বাড়িতে একা থাকেন এবং নিঃসঙ্গতায় ভোগেন। তার দেখাশোনা করার মতো কেউ নেই।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

শহরের একটি বস্তিতে বসবাস করেন ষাটোর্ধ্ব আমেনা বেগম। তিনি একসময় গার্মেন্টসে কাজ করতেন, কিন্তু বয়সের কারণে এখন আর কাজ করতে পারেন না। তার কোনো সঞ্চয় নেই। তার ছেলে-মেয়ে নেই, একমাত্র ভাইও অনেক দূরে থাকেন এবং তেমন খোঁজখবর নেন না। তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান না।

CQনারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি

জনাব কামাল একজন সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি নিয়মিত অবসর ভাতা পান। অন্যদিকে তার স্ত্রী মিসেস কামাল গৃহিণী এবং কোনো আয় করেন না। তাদের ছেলে-মেয়ে উভয়েই কর্মজীবী। সম্প্রতি সরকার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করেছে।