বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ৬০ বা ৬৫ বছর বয়সের পর একজন মানুষকে প্রবীণ বা 'সিনিয়র সিটিজেন' হিসেবে গণ্য করা হয়।
প্রবীণদের পরিচর্যা সংশ্লিষ্ট দুটি অধিকার হলো: পরিবার ও সমাজের সেবাযত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পাওয়ার অধিকার এবং দৈহিক, মানসিক ও আবেগীয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা পাবার অধিকার।
জনাব রহমান প্রবীণদের অংশগ্রহণ সংশ্লিষ্ট অধিকারটি ভোগ করছেন। তিনি অবসরকালীন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন, যা প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও সাধ্য অনুযায়ী সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। তার এই সক্রিয়তা অন্যদেরও উৎসাহিত করছে।
জনাব রহমানের মতো প্রবীণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সমাজে অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। প্রথমত, তাদের অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা সমাজের জন্য মূল্যবান সম্পদ। তারা যুবকদের সঠিক নির্দেশনা দিতে পারেন এবং সমাজের মূল্যবোধ ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রবীণদের নিঃসঙ্গতা ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা দূর করে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তৃতীয়ত, যখন প্রবীণরা সমাজে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখেন, তখন তাদের প্রতি সম্মান ও গুরুত্ব বাড়ে, যা সমাজের সামগ্রিক মূল্যবোধকে উন্নত করে। চতুর্থত, তাদের দেখে অন্য প্রবীণরাও উৎসাহিত হন এবং তারাও নিজেদের বিভিন্ন কাজে যুক্ত করার অনুপ্রেরণা পান, যা একটি সুস্থ ও সক্রিয় প্রবীণ জনগোষ্ঠী তৈরিতে সহায়ক।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: প্রবীণ অধিকারের ধারণা ও প্রবীণদের অধিকারসমূহ
Aligned to the NCTB national curriculum.