নারী অধিকার হলো নারীর জন্য প্রদত্ত সেই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা, যা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
বেগম রোকেয়া সমাজের নারী ও পুরুষকে একটি গাড়ির দুটি চাকার সাথে তুলনা করেছেন কারণ দুটি চাকা সমানতালে না চললে গাড়ি যেমন থেমে যায়, তেমনি সমাজের একটি অংশ (নারী) যদি পিছিয়ে থাকে তবে সমাজ উন্নয়নের চাকাও পিছিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে তিনি নারী অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
সাবিনা বেগমের কর্মস্থলে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, যা বাংলাদেশের সংবিধানের নারী-পুরুষের সমানাধিকারের স্বীকৃতিকে প্রতিফলিত করে। সংবিধানে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে পুরুষের পাশাপাশি নারীর সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চাকরি বা কর্মসংস্থান, বেতন বা মজুরি সব ব্যাপারেই নারী ও পুরুষ সমান সুযোগ লাভের অধিকারী।
মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় ৬ মাস করা নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। এর ফলে নারীরা মাতৃত্বকালীন সময়ে শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম গ্রহণের পর্যাপ্ত সুযোগ পায়, যা তাদের স্বাস্থ্য ও শিশুর সঠিক পরিচর্যার জন্য অপরিহার্য। এটি নারীকে কর্মজীবনে টিকে থাকতে সহায়তা করে এবং কর্মস্থলে বৈষম্য হ্রাস করে। একজন শিক্ষিত, স্বাবলম্বী ও সচেতন নারী ঘরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে, এবং এই ধরনের সুবিধা নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি করে ও তাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে কার্যকর ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.