একটি অংশের পরিমাণ = প্রদত্ত রাশি (ঐ অংশের আনুপাতিক সংখ্যা / অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল)।
এই ধরনের সমস্যা সমাধানে অনুপাত পদ্ধতি বেশি কার্যকর। কারণ, অনুপাত পদ্ধতি সরাসরি প্রতিটি অংশের আনুপাতিক হার ব্যবহার করে মোট রাশি থেকে প্রতিটি অংশ নির্ণয় করে, যা ঐকিক নিয়মের চেয়ে তুলনামূলকভাবে দ্রুত ও সরল। ঐকিক নিয়মে প্রতিটি অংশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
দেওয়া আছে, মোট টাকা = ৪৮০০ টাকা। আয়েশা, ফিরোজা ও খাদিজার অনুপাত = ৪ : ৩ : ১। অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৪ + ৩ + ১ = ৮। আয়েশার অংশ = ৪৮০০ (৪ / ৮) = ৪৮০০ (১ / ২) = ২৪০০ টাকা। ফিরোজার অংশ = ৪৮০০ (৩ / ৮) = ৬০০ ৩ = ১৮০০ টাকা। খাদিজার অংশ = ৪৮০০ (১ / ৮) = ৬০০ ১ = ৬০০ টাকা। অতএব, আয়েশা ২৪০০ টাকা, ফিরোজা ১৮০০ টাকা এবং খাদিজা ৬০০ টাকা পাবে।
আয়েশার অংশ = ২৪০০ টাকা। ফিরোজার অংশ = ১৮০০ টাকা। খাদিজার অংশ = ৬০০ টাকা। খাদিজার অংশ ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করলে নতুন অংশ হবে ৬০০ + ৫০০ = ১১০০ টাকা। নতুন অনুপাত হবে আয়েশা : ফিরোজা : খাদিজা = ২৪০০ : ১৮০০ : ১১০০। সাধারণ উৎপাদক ১০০ দিয়ে ভাগ করে পাই, ২৪ : ১৮ : ১১। অতএব, নতুন অনুপাত ২৪ : ১৮ : ১১।
Class 7 › Mathematics › Chapter 2: সমানুপাত ও লাভ-ক্ষতি › Topic: বহুরাশিক অনুপাত ও ধারাবাহিক অনুপাত
Aligned to the NCTB national curriculum.