সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের অধিকার সমান এবং এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না।
নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার বলতে বোঝায় যে, একজন নারী নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারবে, যেমন - শিক্ষা, পেশা, বিবাহ, চলাফেরা ইত্যাদি বিষয়ে তার নিজস্ব পছন্দ ও স্বাধীনতা থাকবে এবং কোনো ধরনের জোর-জবরদস্তি বা বৈষম্যের শিকার হবে না।
রেশমা কর্মস্থলে অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তার কাজের পরিমাণ ও যোগ্যতা পুরুষ সহকর্মীদের সমান হওয়া সত্ত্বেও তিনি কম বেতন পাচ্ছেন, যা সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং বেতন বা মজুরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না করার নীতির পরিপন্থী।
রেশমার মতো নারীদের অধিকার আদায়ে সরকার কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে। প্রথমত, 'সমান কাজ, সমান মজুরি' নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা এবং কর্মক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের বৈষম্য রোধে বিদ্যমান আইনগুলোকে আরও শক্তিশালী করা। দ্বিতীয়ত, নারী নির্যাতন ও কর্মস্থলে হয়রানি রোধে কঠোর আইন প্রবর্তন করা এবং এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন প্রচার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা। চতুর্থত, কর্মস্থলে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় বাড়িয়ে ৬ মাস করার মতো সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা। এসব পদক্ষেপ নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করে তাদের সমানাধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার
Aligned to the NCTB national curriculum.