নারী নির্যাতন ও অ্যাসিড সন্ত্রাস রোধে সরকার কঠোর আইন প্রবর্তন করেছে।
বাংলাদেশের সংবিধানে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার কথা বলা হয়েছে কারণ, নাগরিক হিসেবে নারীকে পুরুষের পাশাপাশি সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে পুরুষের পাশাপাশি নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা দেশের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
শামিমা বেগমের মনোভাব সমাজে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং বিশেষ করে শিক্ষা ও সুযোগের ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতার অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে। তিনি তার ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনো বৈষম্য না করে সবাইকে শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত করতে চান, যা নারীর শিক্ষা লাভের অধিকার এবং সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ লাভের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
শামিমা বেগমের মতো মায়েদের ভূমিকা সমাজে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকর। তারা পরিবারেই নারী-পুরুষের সমানাধিকারের চর্চা শুরু করেন, যা শিশুদের মনে বৈষম্যহীনতার বীজ বপন করে। যখন মায়েরা তাদের কন্যাসন্তানদের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানে পুত্রসন্তানদের মতোই গুরুত্ব দেন, তখন সমাজে নারীর অবস্থান উন্নত হয়। এটি নারী অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতা দূর করতে এবং নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে সাহায্য করে। একজন শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী নারী পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, আর এই প্রক্রিয়া শুরু হয় পরিবার থেকেই, যেখানে মায়েরাই প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.