Creative Questionmedium

জনাব রহমান তার গ্রামের একটি নদীর পাড়ে বসবাস করেন। তিনি প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙনের শিকার হন। তার আবাদি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তিনি লক্ষ্য করলেন, নদীর পাড়ে যথেষ্ট গাছপালা নেই এবং নদীগুলো আঁকাবাঁকা গতিপথে প্রবাহিত হচ্ছে।

ক · জ্ঞাননদীভাঙন বাংলাদেশের কোন মৌসুমে বেশি দেখা যায়?1

নদীভাঙন বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুমে বেশি দেখা যায়।

খ · অনুধাবনবাংলাদেশের শীতকাল দীর্ঘ হয় না কেন?2

হিমালয় পর্বতমালা শীতকালে বাংলাদেশকে উত্তর থেকে আসা হিমপ্রবাহ থেকে রক্ষা করে, তাই বাংলাদেশে শীতকাল দীর্ঘ হয় না।

গ · প্রয়োগজনাব রহমানের নদীভাঙনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করো।3

জনাব রহমানের নদীভাঙনের কারণ হলো বাংলাদেশের নদীগুলোর গতিপথের ধরন। অনেক নদীরই গতিপথ আঁকাবাঁকা এবং ঘনঘন বাঁকযুক্ত। ফলে পানির প্রবল স্রোত সোজাপথে প্রবাহিত হতে না পেরে নদীর পাড়ে এসে আঘাত করে, যার কারণে নদীর পাড় ভাঙতে থাকে। এছাড়াও, নদীর পাড়ের মাটির দুর্বল গঠন এবং পাড়ে যথেষ্ট গাছপালা না থাকাও নদীভাঙনের কারণ।

ঘ · উচ্চতর দক্ষতানদীভাঙন মোকাবিলায় কী কী করণীয় থাকতে পারে? বিশ্লেষণ করো।4

নদীভাঙন মোকাবিলায় বেশ কিছু করণীয় রয়েছে। নদীর পাড়ে গাছ লাগানো, যা মাটিকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। নদীর পাড় সংরক্ষণ করা, যেমন: জিওব্যাগ বা ব্লক দিয়ে পাড় শক্তিশালী করা। এছাড়াও, নিয়মিত নদী খননের ব্যবস্থা করা, যাতে নদীর গভীরতা বৃদ্ধি পায় এবং স্রোতের চাপ কমে। যেসব কারণে নদীভাঙন ঘটে থাকে সে-সম্পর্কে সচেতন হলে নদীভাঙন ও তার ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

Source

Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু

Aligned to the NCTB national curriculum.