নদীভাঙন বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুমে বেশি দেখা যায়।
হিমালয় পর্বতমালা শীতকালে বাংলাদেশকে উত্তর থেকে আসা হিমপ্রবাহ থেকে রক্ষা করে, তাই বাংলাদেশে শীতকাল দীর্ঘ হয় না।
জনাব রহমানের নদীভাঙনের কারণ হলো বাংলাদেশের নদীগুলোর গতিপথের ধরন। অনেক নদীরই গতিপথ আঁকাবাঁকা এবং ঘনঘন বাঁকযুক্ত। ফলে পানির প্রবল স্রোত সোজাপথে প্রবাহিত হতে না পেরে নদীর পাড়ে এসে আঘাত করে, যার কারণে নদীর পাড় ভাঙতে থাকে। এছাড়াও, নদীর পাড়ের মাটির দুর্বল গঠন এবং পাড়ে যথেষ্ট গাছপালা না থাকাও নদীভাঙনের কারণ।
নদীভাঙন মোকাবিলায় বেশ কিছু করণীয় রয়েছে। নদীর পাড়ে গাছ লাগানো, যা মাটিকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। নদীর পাড় সংরক্ষণ করা, যেমন: জিওব্যাগ বা ব্লক দিয়ে পাড় শক্তিশালী করা। এছাড়াও, নিয়মিত নদী খননের ব্যবস্থা করা, যাতে নদীর গভীরতা বৃদ্ধি পায় এবং স্রোতের চাপ কমে। যেসব কারণে নদীভাঙন ঘটে থাকে সে-সম্পর্কে সচেতন হলে নদীভাঙন ও তার ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু
Aligned to the NCTB national curriculum.