সাধারণত বৈশাখ মাসেই কালবৈশাখী ঝড় বেশি হয়।
টর্নেডোর স্থায়িত্বকাল খুবই অল্প, কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট মাত্র।
কালবৈশাখী ঝড়ের ফলে জানমালের প্রচুর ক্ষতি হয়। এ ঝড়ে ঘরবাড়ি উড়ে যায়, গাছপালা উপড়ে ফেলে এবং নৌ-চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। কালবৈশাখীর কবলে পড়ে ভয়াবহ নৌ-দুর্ঘটনাও ঘটে, যা মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
কালবৈশাখী ঝড় মোকাবিলায় আবহাওয়া বিভাগ থেকে প্রচারিত পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। ঝড়ের সময় ঘরবাড়ি সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং সম্ভব হলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে। এছাড়াও, কালবৈশাখীর মৌসুমে নদীপথে নৌকা ও লঞ্চ চলাচলে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, যেমন: ছোট নৌকা চলাচল বন্ধ রাখা এবং বড় লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বাড়ির আশেপাশে গাছ লাগানোও ঝড়ের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু › Topic: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ (ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙন, খরা, শৈত্যপ্রবাহ, টর্নেডো, কালবৈশাখী)
Aligned to the NCTB national curriculum.