বাংলাদেশে ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে বড় আকারের বন্যা হয়েছিল।
নদীভাঙনের দুটি মানবসৃষ্ট কারণ হলো: যেখানে-সেখানে বাঁধ দিয়ে নদী শাসনের চেষ্টা এবং নতুন নতুন সেতু নির্মাণ।
বর্ষা মৌসুমে নদীগুলো লক্ষ লক্ষ টন পলি বয়ে আনে, যার সবটা সাগরে যায় না, কিছু অংশ নদীর তলদেশে জমা হয়ে তাকে ভরাট করে ফেলে। এতে নদীর গভীরতা কমে যায় এবং জলধারণ ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে সামান্য বৃষ্টিপাত বা উজানের পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলেই নদীর পানি উপচে আশেপাশের এলাকা প্লাবিত হয় এবং বন্যার সৃষ্টি হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বন্যা একেবারে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, কারণ এটি প্রাকৃতিক ঘটনা এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীপ্রবাহের কারণে এটি অনিবার্য। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। এর উপায় হলো: বাঁধ নির্মাণ, ঘরবাড়ির ভিটা উঁচু করা, নিয়মিত নদী খননের ব্যবস্থা করা, এবং ভারতের সাথে অভিন্ন নদীগুলোর পানির হিস্যা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শক্ত অবস্থান নেওয়া। এছাড়াও, বন্যা পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নত করা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু › Topic: বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ
Aligned to the NCTB national curriculum.