জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে।
প্রবীণদের স্বাধীনতা সংশ্লিষ্ট অধিকারগুলো হলো: পর্যাপ্ত খাদ্য, পানীয়, আশ্রয়, পরিধানের বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার এবং কাজ করার অথবা অন্য কোনোভাবে আয়-উপার্জন করার অধিকার।
মিসেস রেহানা 'অংশগ্রহণ সংশ্লিষ্ট অধিকার' থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রবীণদের অধিকারসমূহের মধ্যে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের অধিকার এবং স্বাস্থ্য ও সাধ্য অনুযায়ী সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণের অধিকার অন্যতম। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মনোভাবের কারণে তিনি এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না।
মিসেস রেহানার মতো প্রবীণদের সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবীণদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা সমাজের জন্য মূল্যবান সম্পদ। তাঁদেরকে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ ও সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ দিলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা হয় এবং সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধিত হয়। তাঁদের অংশগ্রহণ তাঁদের মধ্যে হীনম্মন্যতা ও নিঃসঙ্গতা দূর করে এবং তাঁরা নিজেদেরকে সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনুভব করেন। এটি তাঁদের আত্মসম্মান বাড়ায় এবং তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রবীণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সমাজের অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: প্রবীণ অধিকারের ধারণা ও প্রবীণদের অধিকারসমূহ
Aligned to the NCTB national curriculum.