ঠাকুরগাঁ, পঞ্চগড়, শ্রীমঙ্গল এসব জায়গায় সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে।
বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত। এর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো: শীত বা গ্রীষ্ম কোনোটাই খুব তীব্র নয় এবং গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও বৃষ্টিবহুল আর শীতকাল শুষ্ক।
শহরে শীতকাল দেরিতে আসা এবং অল্প সময়ে চলে যাওয়ার কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় না। শীতকালে শীত দেরিতে আসে এবং স্বল্পসময়ে চলে যায়, যা শহরের উচ্চ তাপমাত্রা এবং গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির কারণে আরও প্রকট হতে পারে।
শহরের বাতাসে ধুলোবালি ও ধোঁয়ার পরিমাণ বেশি হওয়ার সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এই ধোঁয়া মূলত যানবাহনের তেল ও গ্যাসের ধোঁয়া, শিল্প-কারখানার উৎপাদন এবং ইটের ভাটা থেকে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। এই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রিনহাউস গ্যাসের একটি প্রধান উপাদান, যা বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত মাত্রায় সঞ্চারিত হয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ হয়। ধুলোবালিও বায়ুমণ্ডলে কণার পরিমাণ বাড়িয়ে তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই শহরের দূষণ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম মানবসৃষ্ট কারণ।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু › Topic: বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ
Aligned to the NCTB national curriculum.