কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন প্রভৃতি গ্যাসকে একসাথে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ অস্বাভাবিকভাবে গলে যাচ্ছে। এই বরফগলা জলরাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলস্বরূপ বাংলাদেশের দক্ষিণাংশের নিম্নাঞ্চলসহ পৃথিবীর সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলো ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
শফিক সাহেবের মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হলো বন্যা। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্ষাকালে পুকুরে অতিরিক্ত পানি জমে পাড় উপচে জনবসতিতে প্রবেশ করে এবং মাছের বসবাসের স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার কারণে নদী-পুকুরের পাড় উপচে পানি জনবসতিতে প্রবেশ করলে মাছের বসবাসের স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা শফিক সাহেবের মৎস্যসম্পদ ক্ষতির প্রধান কারণ। এর ফলে তার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়।
শফিক সাহেবের এলাকায় শীতকালে সৃষ্ট দুর্ভোগ হলো শৈত্যপ্রবাহ, যেখানে তাপমাত্রা ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসে। এই দুর্ভোগ মোকাবিলায় নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে: ১. শীতবস্ত্র বিতরণ: দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, যেমন কম্বল, সোয়েটার, শাল ইত্যাদি বিতরণ করা। ২. আশ্রয়ণ: বাসস্থানহীন বা দুর্বল বসতবাড়ির অধিকারী মানুষের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা। ৩. সচেতনতা বৃদ্ধি: তীব্র শীতের সময় করণীয় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা, যেমন গরম পোশাক পরা, আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণ থাকা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। ৪. স্বাস্থ্যসেবা: শৈত্যপ্রবাহজনিত রোগবালাই (যেমন নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি) প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা। ৫. ফসলের সুরক্ষা: শৈত্যপ্রবাহে ফসলের ক্ষতি কমাতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা। সরকার ও সমাজের সচেতন মানুষের সহায়তা ও উদ্যোগে এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করে শৈত্যপ্রবাহে মানুষের কষ্ট অনেকটা কমানো সম্ভব।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 6: বাংলাদেশের জলবায়ু
Aligned to the NCTB national curriculum.