বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়ে, চোখের রেটিনা থেকে সেই আলো দিয়ে তৈরি সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছায় আর মস্তিষ্ক বস্তুটিকে বুঝতে পারে।
আলো বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের তরঙ্গ হওয়ায় এটি যাওয়ার জন্য কোনো মাধ্যমের দরকার হয় না। আলো তার বিদ্যুৎ আর চৌম্বক ক্ষেত্র দুটির তরঙ্গ তৈরি করে নিজেই চলে যেতে পারে।
হ্যাঁ, প্রতিফলন ঘটবে। প্রতিফলন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে আলো পাঠানোর সময় ঘটে। এখানে একটি মাধ্যম শূন্য মাধ্যম হলেও অন্য মাধ্যমটি ভিন্ন হওয়ায় আলোর প্রতিফলন ঘটবে। আলো শূন্য মাধ্যমেও সঞ্চালিত হতে পারে এবং দুটি ভিন্ন মাধ্যমের বিভেদতলে এর প্রতিফলন ঘটে।
বাতাসকে আলোর সঞ্চালনের ক্ষেত্রে শূন্য মাধ্যম ধরে নিলে সামান্য ভুল হতে পারে, কারণ বাতাস শূন্য মাধ্যম নয়, এটি একটি হালকা মাধ্যম। শূন্য মাধ্যমের চেয়ে বাতাসে আলোর গতি কিছুটা কম হয় এবং এর প্রতিসরাঙ্কও শূন্য মাধ্যমের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে এই ভুল গুরুত্বপূর্ণ নয় কারণ বাতাস এত হালকা মাধ্যম যে আলোর সঞ্চালনের ক্ষেত্রে শূন্য মাধ্যমের সাথে এর পার্থক্য খুবই সামান্য। দৈনন্দিন জীবনে কাচ বা পানিতে আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণের উদাহরণে এই সামান্য পার্থক্য সাধারণত নগণ্য ধরা হয় এবং গণনার ক্ষেত্রে এর প্রভাব খুব বেশি পড়ে না।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 8: আলোর প্রতিফলন (Reflection of Light) › Topic: আলোর প্রকৃতি
Aligned to the NCTB national curriculum.