আলো হলো এক ধরনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ এবং এটি একটি পর্যাবৃত্ত তরঙ্গ।
মানুষের চোখ কেবল 400 nm থেকে 700 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে সংবেদনশীল। এই ব্যাপ্তির বাইরে তরঙ্গদৈর্ঘ্য হলে চোখের রেটিনা সেই আলো দিয়ে তৈরি সংকেত মস্তিষ্কে পাঠাতে পারে না, ফলে আমরা সেই আলো দেখতে পাই না।
যদি একটি বেগুনি ফুলকে লাল আলোতে দেখা হয়, তবে ফুলটিকে কুচকুচে কালো দেখাবে। কারণ, বেগুনি ফুল বেগুনি রং ছাড়া অন্য সব রং শোষণ করে নেয়। লাল আলোতে শুধু লাল রঙের আলো থাকে, যা বেগুনি ফুল শোষণ করে ফেলবে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করবে না। ফলে ফুলটি কালো দেখাবে।
আলট্রা ভায়োলেট এবং ইনফ্রারেড আলোর সাথে দৃশ্যমান আলোর প্রধান পার্থক্য হলো এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য। দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400 nm থেকে 700 nm এর মধ্যে। আলট্রা ভায়োলেট আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য (বেগুনি) থেকেও ছোট। অন্যদিকে, ইনফ্রারেড আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্য (লাল) থেকেও বড়। দৈনন্দিন জীবনে আলট্রা ভায়োলেট আলোর ব্যবহার: জীবাণুনাশক হিসেবে বা জাল টাকা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। (যদিও অধ্যায়ে সরাসরি ব্যবহার উল্লেখ নেই, তবে আলট্রা ভায়োলেটের সংজ্ঞা থেকে এটি একটি সাধারণ জ্ঞানমূলক ব্যবহার।) দৈনন্দিন জীবনে ইনফ্রারেড আলোর ব্যবহার: টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোল ইউনিটে ইনফ্রারেড আলো ব্যবহৃত হয়।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 8: আলোর প্রতিফলন (Reflection of Light) › Topic: আলোর প্রকৃতি
Aligned to the NCTB national curriculum.