Physics · SSC (Class 9-10) · Chapter 8
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ হলো এক ধরনের পর্যাবৃত্ত তরঙ্গ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কয়েক কিলোমিটার থেকে শুরু করে এক মিটারের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগও হতে পারে। আমরা এই বিশাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একটি ক্ষুদ্র অংশ দেখতে পাই, যা 400 nm থেকে 700 nm এর মধ্যে থাকে এবং যাকে আমরা দৃশ্যমান আলো বলি। এই দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে আমরা বিভিন্ন রং হিসেবে দেখি। যেমন, ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়ার সাথে সাথে তা নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। মানুষের চোখ এই ব্যাপ্তির বাইরে দেখতে পায় না, তবে কিছু প্রাণী পারে।
আলোর স্পেকট্রাম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বিশাল পরিসরকে বোঝায়, যার মধ্যে গামা-রে, এক্স-রে, আলট্রা ভায়োলেট, দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ, রেডিও ওয়েভ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। দৃশ্যমান আলো এই স্পেকট্রামের একটি ক্ষুদ্র অংশ।
দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকে কী বলে?
আমরা আলোর কারণে দেখতে পাই। চারপাশের বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়লে আমরা সেই বস্তু দেখতে পাই। আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও শোষণ এই তিনটি ঘটনা ঘটে। এই অধ্যায়ে আমরা প্রতিফলন নিয়ে আলোচনা করেছি।
আলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করার জন্য নিচের কোনটিকে সঠিক বলা যেতে পারে?
আলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।
বেগুনি ও লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক কী?
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলতে কী বোঝায়?
আলোর প্রতিফলনের সাথে জড়িত অন্য দুটি ঘটনা কী কী?
আলোর প্রতিফলন বলতে কী বোঝায়?