বাংলাদেশের সংবিধানে প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে কারণ প্রবীণরা সমাজের একটি বৃহৎ অংশ এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়স ৫৯ বছর। তবে বিচারপতিদের জন্য ৬৭ বছর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কোনো কোনো পেশাজীবীদের জন্য বয়সের এই সীমা সম্প্রতি ৬৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
জনাব শফিক ও তার স্ত্রী উভয়েই সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করায় 'অবসর ভাতা' কার্যক্রমের সুবিধা পাচ্ছেন। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা তাদের অবসরকালীন অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
জনাব শফিক ও তার স্ত্রীর মতো প্রবীণদের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা দূরীকরণে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, যদিও তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও দেখাশোনার জন্য সাহায্যকারী আছে। যেহেতু তাদের ছেলে-মেয়েরা বিদেশে থাকেন, তারা নিঃসঙ্গতা অনুভব করতে পারেন। এই সমস্যা দূরীকরণে: ১. প্রবীণদের জন্য ক্লাব বা সামাজিক কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে যেখানে তারা সমবয়সীদের সাথে মিশতে পারবেন। ২. বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা। ৩. স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো প্রবীণদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে পারে এবং তাদের গল্প শোনার ব্যবস্থা করতে পারে। ৪. প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছেলে-মেয়েদের সাথে নিয়মিত ভিডিও কলের ব্যবস্থা করা, যাতে তারা দূর থেকেও মানসিক সমর্থন পেতে পারেন। এসব পদক্ষেপ তাদের একাকীত্ব দূর করে মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম (বেসরকারি ও সরকারি)
Aligned to the NCTB national curriculum.