তড়িৎ বলরেখা হলো তড়িৎ ক্ষেত্রকে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত কাল্পনিক রেখা যা পজিটিভ চার্জ থেকে বের হয়ে নেগেটিভ চার্জে এসে কেন্দ্রীভূত হয়।
তড়িৎ বলরেখার কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে আঁকা স্পর্শকের দিকই হলো সেই বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের দিক। পজিটিভ চার্জ থেকে বলরেখা বের হয় এবং নেগেটিভ চার্জে প্রবেশ করে, যা তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রচলিত দিক নির্দেশ করে।
একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক চার্জের জন্য তড়িৎ বলরেখাগুলো ধনাত্মক চার্জ থেকে বের হয়ে ঋণাত্মক চার্জে প্রবেশ করে এবং সমাপ্ত হয়। বলরেখাগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে বাঁকা পথে চলে। চার্জ দুটির মধ্যবর্তী স্থানে বলরেখার ঘনত্ব বেশি থাকে, যা তীব্র তড়িৎ ক্ষেত্র নির্দেশ করে। এতে মনে হয় যেন চার্জ দুটি একে অপরকে আকর্ষণ করছে।
দুটি ধনাত্মক চার্জের জন্য বলরেখাগুলো উভয় চার্জ থেকে বাইরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। বলরেখাগুলো একে অপরের ওপর দিয়ে যায় না বরং বাঁকা পথে পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। চার্জ দুটির মাঝামাঝি অংশে বলরেখার ঘনত্ব কম থাকে। এই দুই ধনাত্মক চার্জের ঠিক মধ্যবর্তী স্থানে একটি বিন্দু থাকে যেখানে একটি চার্জের তড়িৎ ক্ষেত্র অন্য চার্জের তড়িৎ ক্ষেত্রকে কাটাকাটি করে ফেলে, যার ফলে সেখানে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান শূন্য হয়। এই বিন্দুতে কোনো টেস্ট চার্জ রাখলে সেটি কোনো বল অনুভব করবে না।
SSC (Class 9-10) › Physics › Chapter 10: স্থির বিদ্যুৎ (Static Electricity) › Topic: আধান বা চার্জ (Charge)
Aligned to the NCTB national curriculum.